সরকারি হাসপাতালে নেই সরকারি বরাদ্দ, ১০ লাখ টাকার অনুদান দিলো জামায়াত

সরকারি হাসপাতালে নেই সরকারি বরাদ্দ, ১০ লাখ টাকার অনুদান দিলো জামায়াত
  • Author,
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
  • লেখক, Muhammad Qutayba

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে নির্মিত বহুতল ভবন দীর্ঘদিন ধরে বরাদ্দের অভাবে চালু না হওয়ায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত তহবিলে অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসক সাবেত আলীর হাতে ১০ লাখ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, গণ অধিকার পরিষদের জেলা আহ্বায়ক মাহফুজার রহমান, জাগপার জেলা সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি আব্দুল হাই, খেলাফত মজলিসের সভাপতি হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, দেশের খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে দলীয় বিভাজন না দেখে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত। তিনি বলেন, “হাসপাতালটি চালু করতে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যে উদ্যোগ তা প্রশংসনীয়। আমাদের এই অনুদান দলীয় প্রচারণার জন্য নয়, এটি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের গর্বের দেশ। এ দেশ গড়ার জন্য দল-ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে দলীয় বিভাজন নয়, নাগরিক হিসেবে দায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করতে হবে।”

পরে তিনি দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে হাসপাতালের বহুতল ভবনটি পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অগ্রগতির তথ্য নেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি না হলে এর কোনো মূল্য থাকবে না। তিনি বলেন, “আমরা চাই গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হোক। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট ও নির্বাচন দুটোই হওয়া জরুরি—একটি হবে, অন্যটি হবে না, তা আমরা মানি না।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিরোধ নেই। মতাদর্শগত পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু জনগণের অধিকার ও গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে আমরা আটটি দল একসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।”


সম্পর্কিত নিউজ