{{ news.section.title }}
গণভোট নিয়ে যে বার্তা দিলেন ড. ইউনুস
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
দেশে এখন ভোটের আমেজ চারদিকে। এবারের ভোটে বাড়তি উৎসাহ, আগ্রহ, অপেক্ষা মুলত হ্যাঁ/না ভোটকে নিয়ে। এই বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনুস আজ একটি বার্তা দিয়েছেন। গণভোটে "হ্যাঁ" সিল দেয়ার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের বার্তা
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি। আরও গভীর ও সুদুরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি।
এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি “হ্যাঁ” ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।
গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট মানে—তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে।সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগনের সম্মতি নিতে হবে।এতে আরও বলা আছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন।
একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।আপনার মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে।রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে।দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না।এবং এরকম আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এর মধ্যে রয়েছে।
আমি আপনাদের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”-তে সিল দিন।নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে।“হ্যাঁ” তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে। “হ্যাঁ”-তে আপনি নিজে সিল দিন, আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন।ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিব।মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম।জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি। আরও গভীর ও সুদুরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি।
এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি “হ্যাঁ” ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।
গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট মানে—তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে।সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগনের সম্মতি নিতে হবে।এতে আরও বলা আছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন।
একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।আপনার মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে।রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে।দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না।এবং এরকম আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এর মধ্যে রয়েছে।
আমি আপনাদের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”-তে সিল দিন।নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে।“হ্যাঁ” তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে। “হ্যাঁ”-তে আপনি নিজে সিল দিন, আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন।ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিব।মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। ধন্যবাদ।