{{ news.section.title }}
জামায়াতের সংরক্ষিত নারী ১১ আসনে আলোচনায় যাদের নাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী সবাই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এখন আলোচনায় নারীদের সংরক্ষিত ৫০ টি আসন। নির্বাচনে জামায়াত দলীয় প্রতীকে ৬৮ আসন পেয়েছে। সেই অনুপাতে ১১ টি আসন পাচ্ছে দলটি। আসন অনুপাতে বিএনপি ৩৫ জামায়াত ১১ এনসিপি ১ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নিজস্ব দলীয় প্রতীকে জয়ী ছোটো দলগুলোর মধ্যে বন্টন করা হবে।
সংরক্ষিত আসনের জন্য জামায়াত প্রার্থী যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু করেছে ইতিমধ্যে।পেশাজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, আইনজীবী ও জামায়াতের নারী বিভাগের শীর্ষ নেতৃত্ব আলোচনায় আছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বসবে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আমরা এখনো কাউকে চূড়ান্ত করিনি। তবে আলোচনা আছে। এটা নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বসছে। আমাদের ১১ দলীয় জোটের মধ্যে চারটি দলের সংসদ সদস্য আছেন। এক্ষেত্রে এনসিপি একটি আসনে নারী সংসদ সদস্য পাবে।’ এনসিপির কোনো নারীকে জামায়াতের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আলোচনায় আছে। আমরা এটা নিয়ে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। সব দল মিলে বসে এটা নিয়ে একোমোডেট করব।’
দলীয় সূত্রমতে, জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় আলোচনায় আছেন, জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রী ও সাবেক এমপি ডা. আমেনা বেগম, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী, সহকারী সেক্রেটারি নাজমুন্নাহার নীলু ও সাঈদা রুম্মান, কেন্দ্রীয় নেত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি সুফিয়া জামাল, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ অঞ্চল পরিচালক মাসুমা পারভীন প্রমুখ।
সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার পরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করা হলে জামায়াত ২৪টি আসন পেতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রার্থী নির্বাচনের পরিকল্পনাটিও আরো বিস্তৃত হবে। আর বর্তমান কাঠামো বজায় থাকলে প্রাপ্ত ১১ থেকে ১২টি আসনের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।