মুসলমানের সাপ্তাহিক ঈদ ও প্রতিটি পদক্ষেপে নফল রোজার সাওয়াব

মুসলমানের সাপ্তাহিক ঈদ ও প্রতিটি পদক্ষেপে নফল রোজার সাওয়াব
ছবির ক্যাপশান, মুসলমানের সাপ্তাহিক ঈদ ও প্রতিটি পদক্ষেপে নফল রোজার সাওয়াব
  • Author,
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
  • লেখক, Nur Muhammad

মুসলমানের সাপ্তাহিক ঈদ হলো জুমার দিন। এদিন জুমার নামাজ আদায়ে প্রতিটি পদক্ষেপে নফল রোজা ও তাহাজ্জুদের সাওয়াব লেখা হয়। হাদিসে জুমার ফজিলত, দোয়া কবুলের মুহূর্ত, গোনাহ মাফ ও জান্নাতের সুসংবাদ বর্ণিত হয়েছে।

শুক্রবার : ইসলামে সপ্তাহের সর্বোত্তম দিন হিসেবে জুমাকে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। হাদিসে এ দিনকে মুমিন মুসলমানের সাপ্তাহিক ঈদ, ক্ষমা লাভের দিন এবং অগণিত সাওয়াব অর্জনের দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “এটি ঈদের দিন, আল্লাহ মুসলমানদের জন্য নির্ধারণ করেছেন। যে ব্যক্তি জুমার নামাজে উপস্থিত হয়, সে যেন অজু করে উপস্থিত হয়।” (ইবনু মাজাহ)।

হাদিসে জুমাকে ক্ষমা লাভের দিন হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি গোসল করল, পবিত্রতা অর্জন করল, সুগন্ধি ব্যবহার করল এবং যথাযথ আদব মেনে জুমার নামাজ আদায় করল, তবে তার এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত সংঘটিত গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” (বুখারি)।

এছাড়া জুমার দিনে নামাজের উদ্দেশ্যে প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে বান্দার জন্য পুরো এক বছরের নফল রোজা এবং তাহাজ্জুদের সওয়াব লেখা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আগে আগে মসজিদে যায়, ইমামের কাছে বসে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও তাহাজ্জুদের সমান সাওয়াব লেখা হয়।” (মুসনাদে আহমাদ)।

ধর্মীয় গ্রন্থে উল্লেখ আছে, জুমার দিনের সম্মানে এদিন জাহান্নামের আগুন প্রজ্জ্বলিত করা হয় না। এমনকি এ দিনে মৃত্যুবরণকারী মুসলিম কবরের আজাব থেকেও রেহাই পান। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে মুসলিম জুমার দিন বা রাতে মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন।” (মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি)।

ধর্মীয় আলেমরা বলেন, জুমার দিনে মুমিনদের উচিত নামাজ, দোয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে সময়কে কাজে লাগানো। কারণ এ দিন আল্লাহর নিকট দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে। মুসলমানদের কাছে জুমার দিন  রহমত, মাগফিরাত ও মুক্তির দিন।

সম্পর্কিত নিউজ