{{ news.section.title }}
যে ‘কাল’ এর জন্য আমরা অপেক্ষা করি, সেই কাল কি আদৌ আসে?
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
আমরা প্রায়ই ভেবে থাকি, “এখন তো বয়স কম, সময় আছে - কাল থেকে নামাজ পড়া শুরু করব” বা “রমজান এলে নিজেকে বদলাবো।” কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই ‘কাল’ কখনো আসে না।
মৃত্যু বয়স দেখে আসে না, মৃত্যু কারো জন্য অপেক্ষা করে না। আমরা জীবনে কারো না কারো জানাজায় গিয়েছি বা কবরের পাশে হেঁটেছি। একবার কি আমরা মৃত্যুকে স্মরণ করেছি? কখনো তওবার চিন্তাও করেছি? হয়তো ভেবেছি, আজ না হয় কাল করবো, কিন্তু অনেকের সেই তওবা করার সময়ও আর পাওয়া যায় না।
বিশেষ কিছু সময়ে তওবার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। তখন আর কোনো পাপী বান্দার তওবা বা ক্ষমা কবুল হবে না।
১. মৃত্যুযন্ত্রণা শুরু হলে
২. পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদয় হলে
তাই সব সময় তওবার মধ্যে থাকতে হবে।
তওবা নিয়ে আমরা অনেক উপদেশ শুনে থাকি - ওয়াজ মাহফিল, জুমার খুতবা, ইসলামী দাওয়াত বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি সেই উপদেশগুলো কাজে লাগাচ্ছি?
শয়তানের সবচেয়ে বড় ফন্দি হলো ‘তাসউইফ’, অর্থাৎ নেক কাজকে পরে করার প্রলোভন। সে সরাসরি বলে না, “ভালো কাজ করো না,” বরং বলে, “এখন না, পরে করো।” তাই আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, নেক কাজ যত দ্রুত সম্ভব করা উচিত।
নিজেকে পুরোপুরি বদলানো একদিনে সম্ভব নয়, তবে আজ থেকেই শুরু করতে হবে - আজ থেকেই কেন নয়?
যদি নামাজে অনিয়মিত হন, আজ থেকেই পাঁচ সময়ের নামাজ পড়ার অঙ্গীকার করুন।
খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করুন এবং আজই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে শুরু করুন।
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের তওবার সুযোগ বারবার দেন, কিন্তু সেই সুযোগ সীমিত। মালাকুল-মাওত আসার আগে আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন।K