সূরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

সূরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ
ছবির ক্যাপশান, পবিত্র কুরআন শরীফ
  • Author, জাগরণ নিউজ ডেস্ক
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা

সূরা নাস পবিত্র কোরআনের একটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ সূরা। এটি কোরআন মাজিদের ১১৪তম এবং সর্বশেষ সূরা। সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ সূরায় মোট ৬টি আয়াত এবং ১টি রুকু রয়েছে।

সূরা নাস পবিত্র কোরআনের একটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ সূরা। এটি কোরআন মাজিদের ১১৪তম এবং সর্বশেষ সূরা। সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ সূরায় মোট ৬টি আয়াত এবং ১টি রুকু রয়েছে।

হাদিস শরিফে সূরা নাস পাঠের বিশেষ গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে। একাধিক বর্ণনায় এসেছে, প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর এই সূরা পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। এক হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পাঠ করবে, সে আল্লাহর রহমতে সব ধরনের বিপদ ও আপদ থেকে নিরাপদ থাকবে। জামে তিরমিজিতে বর্ণিত এই হাদিসের নম্বর ২৯০৩।

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিজের দুই হাত একত্র করতেন। এরপর উভয় হাতে ফুঁ দিয়ে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করতেন। তারপর শরীরের যতটুকু অংশে সম্ভব হাত বুলিয়ে নিতেন। তিনি প্রথমে মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করতেন। এভাবে তিনি তিনবার আমলটি করতেন। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত এই হাদিসের নম্বর ৫০১৭।

নিচে সূরা নাসের আরবি আয়াত, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ তুলে ধরা হলো।

সূরা নাস

قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِ
مَلِکِ النَّاسِ
اِلٰهِ النَّاسِ
مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ الۡخَنَّاسِ
الَّذِیۡ یُوَسۡوِسُ فِیۡ صُدُوۡرِ النَّاسِ
مِنَ الۡجِنَّۃِ وَ النَّاسِ

সূরা নাসের বাংলা উচ্চারণ

১. কুল আউযু বিরাব্বিন নাস।
২. মালিকিন নাস।
৩. ইলাহিন নাস।
৪. মিন শররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস।
৫. আল্লাজি ইউওয়াসবিসু ফি ছুদুরিন্নাস।
৬. মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্নাস।

(বিশুদ্ধ মাখরাজ অনুযায়ী সূরা নাসের উচ্চারণ শিখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।)

সূরা নাসের বাংলা অর্থ

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি মানুষের প্রতিপালকের। মানুষের অধিপতির। মানুষের উপাস্যের। তার কুমন্ত্রণার অনিষ্ট থেকে, যে সুযোগ পেলে আসে এবং সুযোগমতো সরে পড়ে। যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়। সে জিনদের মধ্য থেকে হোক অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

নিয়মিত সূরা নাস পাঠ করলে শয়তানের কুমন্ত্রণা, দুশ্চিন্তা, ভয় ও অশুভ প্রভাব থেকে আল্লাহর হেফাজতে থাকা যায় বলে ইসলামি চিন্তাবিদরা মনে করেন।


সম্পর্কিত নিউজ