{{ news.section.title }}
মাগরিবের নামাজ: রাকাত, নিয়ত ও পড়ার নিয়ম
নামাজ ইসলাম ধর্মের প্রধান ইবাদত। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক বা ফরজ। নামাজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। শাহাদাহ্ বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাই সকলের জন্য নামাজ আদায় করা আবশ্যক। তবে শুধু নামাজ আদায় করলেই হবে না। প্রতিটা ওয়াক্তের নামাজের রয়েছে আলাদা আলাদা নিয়ম। সঠিক নিয়মে মেনেই নামাজ আদায় করতে হবে।
মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত এবং সময়
মাগরিবের নামাজ মোট ৫ রাকাত। সূর্যাস্তের পর হতে মাগরিবের নামাজের সময় হয়। মাগরিবের ওয়াক্ত অতি অল্পকাল স্থায়ী।
ফরজ: ৩ রাকাত
সুন্নতে মুয়াক্কাদা: ২ রাকাত
নফল (অনেকে পড়েন): ২ রাকাত (ঐচ্ছিক)
সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও নফল-কী বোঝায়
তিন রাকাত ফরজ নামাজের পর যে সুন্নত নামাজ আদায় করতে হয় তাকে বলা হয় সুন্নতে মুয়াক্কাদা। সুন্নতে মুয়াক্কাদার অর্থ হলো – দৃঢ় নির্দেশিত সুন্নত। অর্থাৎ যে নামাজ আদায়ের জন্য শরিয়ত দৃঢ়ভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছে। এটি আদায় না করলে গুনাহ হবে না তবে আদায় করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়। তাই এটি বিনা কারণে ত্যাগ না করাই ভালো।
আর নফল অর্থ হচ্ছে – অতিরিক্ত। অর্থাৎ ফরজ ও সুন্নত নামাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত যে নামাজ আদায় করা হয় তাকে নফল নামাজ বলে। এটিও খুবই তাৎপর্যপূর্ণ নামাজ।
মাগরিবের ৩ রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত
আরবি-উচ্চারণ
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى ثَلَثَ رَكْعَتِ صَلَوةِ الْمَغْرِبِ فَرْضُ اللَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-
বাংলা উচ্চারণ
নাওয়াইতুয়ান উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা সালাছা রাকায়াতি ছালাতিল মাগরিবে ফারদুল্লাহি তায়ালা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতি শারিফাতি আল্লাহু আকবার।
বাংলা অর্থ
মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করার উদ্দেশে কেবলামুখী হয়ে নিয়ত করলাম, আল্লাহু আকবার।
নামাজের নিয়ত করার পর তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ আদায় শুরু করতে হবে। উক্ত নিয়ত পড়ে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করতে পারবেন।
একাকী আদায় করলে –
আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহ্র উদ্দেশে মাগরিবের ৩ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করার নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবার।
মাগরিবের ২ রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত
আরবি উচ্চারণ
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتِ صَلَوةِ الْمَغْرِبِ سُنَّةُ رَسُوْ ا الِلَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ
বাংলা উচ্চারণ
নাওয়াইতুয়ান উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকায়াতি ছালাতিল মাগরিবে সুন্নাতু রাসুলল্লাহি তা’য়ালা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতি শারিফাতি আল্লাহু আকবার।
বাংলা অর্থ
মাগরিবের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশে কেবলামুখী হয়ে নিয়ত করলাম, আল্লাহু আকবার।
মাগরিবের ২ রাকাত নফল নামাজের নিয়ত (অনেকে পড়েন)
আরবি উচ্চারণ
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتِ صَلَوةِالْنَفْلِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ
বাংলা উচ্চারণ
নাওয়াইতুয়ান উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকাআতি ছালাতিল নফলে মোহাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
বাংলা অর্থ
মাগরিবের দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করার উদ্দেশে কেবলামুখী হয়ে নিয়ত করলাম, আল্লাহু আকবার।
মাগরিবের ৩ রাকাত ফরজ নামাজ আদায়ের নিয়ম
১) ওযু করে পাকপবিত্র হয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে জায়নামাজে দাঁড়াতে হবে ।
২) এরপর নিয়ত পড়ে নিতে হবে।
৩) “আল্লাহু আকবার” বলে দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে বুকে হাত বাঁধতে হবে।
৪) এরপর সানা পড়তে হবে।
সানা
“সুবহানাকা আল্লাহুম্মা বিহামদিকা ওয়াতা ওয়া রাকাসমুকা ওয়া তায়ালা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুক”
৫) তারপর সূরা ফাতিহা পাঠ করে অন্য একটি সূরা মিলিয়ে পড়তে হবে।
৬) এরপর “আল্লাহু আকবার” বলে রুকুতে যেতে হবে।
৭) রুকুতে গিয়ে তিনবার “সুবহানা রব্বিয়াল আযিম” পাঠ করতে হবে।
৮) “সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ্” বলে রুকু থেকে উঠে “রব্বানা লাকাল হামদ” বলে বসতে হবে।
৯) এরপর সিজদায় যেতে হবে।
১০) সিজদায় গিয়ে তিনবার “সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা” পড়তে হবে।
১১) সিজদাহ থেকে উঠে পুনরায় সিজদায় যেতে হবে ও একই তাসবিহ পাঠ করতে হবে।
১২) এভাবে প্রথম রাকাত শেষ হলো।
১৩) একই ভাবে দ্বিতীয় রাকাতও আদায় করতে হবে।
১৪) দ্বিতীয় রাকাতের শেষে বসতে হবে ও তাশাহুদ পাঠ করতে হবে।
তাশাহুদ
“আত্তাহিয়াতু লিল্লাহি ওয়াস সালাওয়াতু ওয়াত তায়্যিবাতি আসসালামুয়ালাইকা আয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্। আসসালামুয়ালাইনা আ’লা ইবাদিল্লাহিস সুয়ালিহিন, আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসূলুহ্”
১৫) এরপর আবার উঠে দাঁড়িয়ে আগের নিয়মে এক রাকাত পড়তে হবে তবে এইবার সূরা ফাতিহার সাথে কোনো সূরা মিলাতে হবে না।
১৬) শেষ বৈঠকে তাশাহুদ পাঠ করে দুরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে।
দরূদ শরীফ
“আল্লাহুম্মা সল্লিয়ালা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ কামা সল্লাইতা আলা ইব্রাহীম ওয়ালা আলি ইব্রাহীম ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদ ওয়ালা আলি মুহাম্মাদ কামা বারতকা আলা ইব্রাহীম ওয়ালা আলি ইব্রাহীম ইন্নিকা হামিদুম্মাজিদ।”
১৭) দোয়া মাসুরা
“আল্লাহুম্মা ইন্নি জলামতু নাফসি জুলমান কাসিরা ওয়ালা ইয়াগফিরুজ্ জুনুবা ইল্লা আন্তা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইন্দিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আন্তাল গাফুরুর রাহীম।”
১৮) এরপর সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে।
এভাবে মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করতে হয়।
মাগরিবের ২ রাকাত সুন্নত নামাজ আদায়ের নিয়ম
আগের নিয়মেই এই দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে নিয়ত শুধু ভিন্ন পড়তে হবে।
সূরা ফাতিহার সাথে যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে।
শেষ বৈঠকে আগের নিয়মে তাশাহুদ, দরূদ শরীফ ও দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে।
এভাবেই মাগরিবের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করতে হয়।
মাগরিবের ২ রাকাত নফল নামাজের নিয়ম
নফল নামাজের ক্ষেত্রেও একই নিয়মে সুন্নত নামাজের অনুরূপ নামাজ আদায় করতে হবে তবে নামাজের শুরুতে নিয়ত ভিন্ন পড়তে হবে।
এভাবে মাগরিবের দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করতে হয়।
নামাজের গুরুত্ব
নামায দ্বীনের খুঁটি। নামাজ মুমিনের নূর। নামাজ শ্রেষ্ঠ ইবাদাত। নামাজ বেহেশতের চাবি। নামাজ মুমিনের পরিচয়। নামাজ চেহারার উজ্জ্বলতা। নামাজ দিলের নূর। নামাজ শরীরের আরাম। নামাজ সুস্বাস্থ্যের কারণ। নামাজ কবরের সঙ্গী। নামাজ আল্লাহর রহমত লাভের মাধ্যম। নামাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ। নামাজ দোযখের প্রতিবন্ধক। নামাজ দোয়া কবুলের মাধ্যম। নামাজ অত্যাধিক নেক অর্জনের হাতিয়ার।
মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষ সৃষ্টি করেছেন। মানুষ সৃষ্টি করার পর মানুষকে কিছু দায়িত্ব দিয়েছেন। সে দায়িত্ব-সমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে মহান আল্লাহ তায়ালার উপর ইমান আনয়ন করা। তাঁকে খালিক বা সৃষ্টিকর্তা হিসেবে মেনে নেওয়া। তাঁকে রব বা পালনকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। রাযযাক বা রিযিকদাতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। কুরআন মাজীদকে তাঁর পক্ষ হতে নাযিলকৃত কিতাব বলে বিশ্বাস করা। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষ নবী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ইত্যাদি।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেভাবে এল (কোরআন–হাদিস ও মিরাজ প্রসঙ্গ)
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কর্ম থেকে বিরত রাখে।’ (সুরা-২৯ আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)।
হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হুজুরে কলব (হৃদয়ের উপস্থিতি) ব্যতীত নামাজ প্রকৃত নামাজ হয় না।’ (ফিকহুর রিজা)। হুজুর অর্থ উপস্থিতি, হাজির অর্থ উপস্থিত, কলব মানে দিল, হৃদয়, মন। সফল মুমিনদের পরিচয় পবিত্র কোরআনে এভাবে এসেছে, ‘ওই সকল বিশ্বাসীগণ সফল, যারা তাদের নামাজে আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়।’ (সুরা-২৩ মুমিনুন, আয়াত: ১-২)।
প্রিয় নবীজি (সা.)–এর মিরাজে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ চূড়ান্তভাবে ফরজ হয়েছিল। নামাজ মুমিনের মিরাজ। নামাজে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে মিরাজে আল্লাহর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর সংলাপের বিশেষ অংশ ‘তাশাহহুদ’ বা আত্তাহিয়্যাতু।
নবী করিম (সা.) আল্লাহর কুদরতি দরবারে আরশে আজিমে উপস্থিত হয়ে বললেন, ‘আমার সকল মৌখিক ইবাদত, সকল শারীরিক ইবাদত ও সকল আর্থিক ইবাদত আল্লাহ তাআলার জন্য।’
উত্তরে আল্লাহ তাআলা বললেন, ‘হে নবী (সা.)! আপনার প্রতি সালাম বা শান্তি বর্ষিত হোক এবং আল্লাহর রহমত, দয়া, করুণা ও তাঁর বরকত অবতীর্ণ হোক।’
প্রতি উত্তরে রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের প্রতি।’
এটা শুনে ফেরেশতারা বললেন, ‘আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এক আল্লাহ ছাড়া আর দ্বিতীয় কোনো মাবুদ বা উপাস্য নাই, আমরা আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি নিশ্চয়ই হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও রাসুল।’ (মুসলিম শরিফ)।
নামাজের মধ্যে পবিত্র কোরআনের অংশবিশেষ তিলাওয়াত করা অন্যতম প্রধান ফরজ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা পাঠ করো কোরআন থেকে যা তোমাদের জন্য সহজ হয়।’ (সুরা-৭৩ মুয্যাম্মিল, আয়াত: ২০)।
সুরা ফাতিহা হলো ‘উম্মুল কোরআন’ বা কোরআনের জননী। নামাজে সুরা ফাতিহা পাঠ করা বিশেষভাবে ওয়াজিব।
জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব
কোরআন হলো আল্লাহর কালাম, কালাম অর্থ কথা। কোরআন তিলাওয়াত করা মানে আল্লাহর সঙ্গে কথা বলা। নামাজে কোরআন তিলাওয়াত হলো আল্লাহর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কথাবার্তা বলা। আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রত্যেক প্রশ্নের জবাব দেন, প্রতিটি আহ্বানে সাড়া দেন, সকল আবেদন মঞ্জুর করেন, সব দোয়া কবুল করেন। (মিশকাত শরিফ)।
সুরা ফাতিহায় আমরা যখন বলি, ‘আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন (সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর জন্যই)’ তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হামিদা নি, আবদি (আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল)।’ অতঃপর আমরা যখন বলি ‘আর রাহমানির রাহিম (তিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু)’ তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আছনা আলাইয়া আবদি (আমার বান্দা আমার বিশেষ প্রশংসা করল)।’ এরপর যখন আমরা বলি, ‘মালিকি ইয়াওমিদ্দিন (তিনি বিচারদিনের মালিক)’ তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মাজ্জাদানি আবদি (আমার বান্দা আমাকে সম্মানিত করল)’। এরপর আমরা যখন বলি, ‘ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তায়িন (শুধু আপনারই ইবাদত করি আর শুধু আপনার কাছেই সাহায্য চাই)’ তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হাজা বাইনি ওয়া বাইনা আবদি (এই ফয়সালাই হলো আমার ও আমার বান্দার মাঝে-বান্দা আমার ইবাদত ও আনুগত্য করবে, আমি তাকে সাহায্য–সহযোগিতা করব)।’ আমরা যখন বলি, ‘ইহদিনাছ ছিরাতল মুস্তাকিম, ছিরাতল্লাজিনা আনআমতা আলাইহিম, গয়রিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দল্লিন! (আমাদের সঠিক পথ দেখান, তাদের পথ যাদের আপনি নিয়ামত দিয়েছেন; তাদের পথ নয় যারা পথভ্রষ্ট; আর না যারা অভিশপ্ত)।’ তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘লিআবদি মা ছাআল (আমার বান্দা যা চায়, তার জন্য তা-ই)।’