{{ news.section.title }}
আজ ১৩ এপ্রিল - নামাজের সময়সূচি জেনে নিন
আজ সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬। বাংলা তারিখ৩০ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি তারিখ২৪ শাওয়াল ১৪৪৭। ঢাকা ও আশপাশের এলাকারজন্য আজকের নামাজের সময়সূচি নিচে তুলে ধরা হলো।
ঢাকাও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়
- ফজর: ৪:২৪ মিনিট
- জোহর: ১২:০৩ মিনিট
- আসর: ৪:৩০ মিনিট
- মাগরিব: ৬:২৩ মিনিট
- ইশা: ৭:৩৮ মিনিট
সূর্যোদয়ও সূর্যাস্ত
- আজ সূর্যোদয়: ৫:৩৯ মিনিট
- আজ সূর্যাস্ত: ৬:২০ মিনিট
আগামী কালের সূচি
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
- ফজর: ৪:২৪ মিনিট
- সূর্যোদয়: ৫:৩৮ মিনিট
বিভাগীয়শহরের জন্য সময়ের পার্থক্য
ঢাকারসময়ের সঙ্গে অন্য বিভাগীয় শহরগুলোরনামাজের সময় মিলিয়ে নিতেকিছু জায়গায় সময় বিয়োগ এবং কিছু জায়গায়যোগ করতে হবে।
যেসবশহরে সময় বিয়োগ করতে হবে
- চট্টগ্রাম: -০৫ মিনিট
- সিলেট: -০৬ মিনিট
যেসবশহরে সময় যোগ করতে হবে
- খুলনা: +০৩ মিনিট
- রাজশাহী: +০৭ মিনিট
- রংপুর: +০৮ মিনিট
- বরিশাল: +০১ মিনিট
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কোনওয়াক্তে কত রাকাত নামাজ
প্রতিদিনপাঁচ ওয়াক্তে মোট ১৭ রাকাত ফরজ নামাজ রয়েছে।
এর পাশাপাশি ১২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা রয়েছে, যা নবীজি (সা.) নিয়মিত আদায় করতেন।
আরও কিছু সুন্নতে যায়েদা নামাজ রয়েছে, যা নবীজি (সা.) কখনও কখনও আদায় করতেন।
এ ছাড়া ইশার নামাজেরপর থেকে সুবহে সাদিকেরআগে ৩ রাকাত বেতরের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব।
ফরজও ওয়াজিব নামাজ আদায় করা অবশ্যকর্তব্য।এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে গুনাহহবে।
কোনো কারণে ছুটে গেলে পরেকাজা করে আদায় করতেহবে।
অন্যদিকে সুন্নতে মুআক্কাদা ও সুন্নতে যায়েদানামাজ আদায় করলে সওয়াবপাওয়া যাবে, তবে আদায় নাকরলে গুনাহ হবে না।
নিচেপাঁচ ওয়াক্ত নামাজের রাকাতসংখ্যা আলাদাভাবে তুলে ধরা হলো।
ফজর
ফজরেরফরজ নামাজ ২ রাকাত।
ফরজের আগে ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
জোহর
জোহরেরফরজ নামাজ ৪ রাকাত।
ফরজের আগে ৪ রাকাত এবং পরে ২রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
আসর
আসরেরফরজ নামাজ ৪ রাকাত।
ফরজের আগে ৪ রাকাত সুন্নতে যায়েদা।
মাগরিব
মাগরিবেরফরজ নামাজ ৩ রাকাত।
ফরজের পর ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
ইশা
ইশারফরজ নামাজ ৪ রাকাত।
ফরজের আগে ৪ রাকাত সুন্নতে যায়েদা এবং ফরজের পর২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা।
ইশারফরজ ও সুন্নতের পরথেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত ৩ রাকাত বেতরের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব।
পাঁচওয়াক্ত নামাজের গুরুত্ব
পাঁচওয়াক্ত ফরজ নামাজ ইসলামেঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণইবাদতগুলোর একটি।
এটি শুধু দৈনন্দিন ইবাদতনয়, বরং একজন মুমিনেরজীবনব্যবস্থার মৌলিক অংশ।
নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায়করা ইসলামের অপরিহার্য নির্দেশনার অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহতাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, নামাজ মুমিনের জন্য নির্ধারিত সময়েআদায় করা ফরজ।
(সুরা নিসা: ১০৩)
ফরজনামাজের গুরুত্ব বোঝাতে হাদিসে এর কঠোর তাৎপর্যওতুলে ধরা হয়েছে।
রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমাদের ও কাফেরদের মধ্যে যে পার্থক্য আছে তা হলো নামাজ। সুতরাং যে ব্যক্তি নামাজ ছেড়ে দিল, সে কুফুরি করল। (সুনানে তিরমিজি: ২১১৩)
নবীজি (সা.) আরও বলেন, বান্দা আর শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামাজ ছেড়ে দেওয়া। (সহিহ মুসলিম: ১৪৮)
আখিরাতেরদিনও নামাজের গুরুত্ব সবচেয়ে আগে সামনে আসবে।
রাসুল (সা.) বলেন, কেয়ামতেরদিন বান্দার আমলের মধ্যে সবচেয়ে আগে তার নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। সেটি যদি যথাযথ পাওয়া যায়, তবে সে সফল হয়ে গেলো এবং মুক্তি পেয়ে গেলো। আর যদি তাতে ত্রুটি পাওয়া যায়, তাহলে সে ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হলো। (সহিহ জামে সগির: ২০২০)
কিছু কথা
নামাজএকজন মুমিনের জীবনে শুধু ইবাদত নয়, বরং শৃঙ্খলা, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর সঙ্গেসম্পর্ক গভীর করার অন্যতমমাধ্যম।
প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজনির্ধারিত সময়ে আদায় করাঈমানি দায়িত্ব।
তাই সময়সূচি জেনে, রাকাতসংখ্যা বুঝে এবং গুরুত্বউপলব্ধি করে নিয়মিত নামাজআদায়ে মনোযোগী হওয়াই একজন মুসলিমের জন্যসর্বোত্তম পথ।