{{ news.section.title }}
৬৪.৪ মিলিয়ন রুপিতে পিএসএলে দল পেলেন মুস্তাফিজ
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
আইপিএলে চড়া মূল্যে মুস্তাফিজুর রহমানকে শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দলে নিয়েছিল। তবে দেশের কিছু উগ্র গোষ্ঠীর চাপে পড়ে এই বাংলাদেশি পেসারকে শেষ পর্যন্ত দলে নেওয়া থেকে সরে আসতে বাধ্য হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। পরে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)-এ চড়া দামেই বিক্রি হন মুস্তাফিজুর রহমান।
৬ কোটি ৪৪ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে কিনে নেয় লাহোর কালান্দার্স। বাংলাদেশি টাকায় যা ২ কোটি ৮১ লাখেরও বেশি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এ তথ্য জানায় দলটি।
পোস্টে লাহোর কালান্দার্স জানায়, আমাদের বাংলাদেশি ভাই মুস্তাফিজুর রহমান -যিনি ২০১৬ ও ২০১৮ মৌসুমে দলটির হয়ে খেলেছিলেন - তাকে সরাসরি চুক্তিতে আবারও দলে নেওয়া হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি জানায়, মুস্তাফিজ আবার ‘কালান্দার্স পরিবারে’ ফিরে এসেছেন।
বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্সের হয়ে গত মৌসুমে সাকিব, রিশাদ ও মিরাজসহ কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার খেলেন। তবে এবারের মৌসুমে ধরে রাখা চার ক্রিকেটারের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি নেই। ২৬ মার্চ শুরু হতে যাওয়া পিএসএলের ১১তম আসরে এর আগে লাহোরের হয়ে খেলা মুস্তাফিজ পাঁচ ম্যাচে নেন চার উইকেট।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় লাহোর কালান্দার্সের মালিক সামিন রানা জানান, মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে লাহোর কালান্দার্সের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এই পেসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশাবাদী।
মুস্তাফিজুর রহমানকে আবার ড্রেসিংরুমে ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন লাহোর কালান্দার্সের মালিক সামিন রানা। তিনি বলেন, এই পেসারের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও খেলায় নিবেদন পিএসএলের ১১তম আসরে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে দলের জন্য বড় শক্তি হয়ে উঠবে।
এরই মধ্যে আসন্ন মৌসুমের জন্য কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ধরে রাখে লাহোর কালান্দার্স। তালিকায় রয়েছেন অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি, টপ-অর্ডার ব্যাটার আবদুল্লাহ শফিক, অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা এবং তরুণ প্রতিভা মোহাম্মদ নাঈম।
রিটেইন তালিকায় প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে, যেখানে তার পারিশ্রমিক ৭ কোটি রুপি। ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে থাকা আবদুল্লাহ শফিক পাচ্ছেন ২ কোটি ২০ লাখ রুপি। গোল্ড ক্যাটাগরিতে থাকা সিকান্দার রাজা পাচ্ছেন ২ কোটি ৮০ লাখ রুপি। আর ইমার্জিং ক্যাটাগরিতে থাকা মোহাম্মদ নাঈমের পারিশ্রমিক নির্ধারিত হয়েছে ৭০ লাখ রুপি।
আসন্ন নিলামের জন্য প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ কোটি রুপি। এখন পর্যন্ত রিটেইন করা খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও মুস্তাফিজের সরাসরি চুক্তি মিলিয়ে লাহোর কালান্দার্সের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ১৪ লাখ রুপি।