{{ news.section.title }}
জুলাইয়ের প্রথম ৪ দিনেই দেশে এলো ৩৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স
চলতি জুলাই মাসের প্রথম চার দিনেই দেশে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায়, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এর পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা। ফলে মাসের শুরুতেই প্রতিদিন গড়ে এক হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
রোববার (৫ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের প্রথম চার দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রেমিট্যান্স কিছুটা কম এসেছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে দেশে এসেছিল ৩৬ কোটি মার্কিন ডলার।
এর আগে গত জুন মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।
জুনের আগের মাস মে-তে দেশে এসেছিল ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এরও আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। ওই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠান ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। এছাড়া এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স আসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ধারাবাহিকতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় পরিশোধ, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যদি এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তাহলে চলতি অর্থবছরেও রেমিট্যান্স আয়ে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।