ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিরোধে ডাকসুর বিশেষ সেমিনার
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “বাংলাদেশে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আসন্ন ও ভবিষ্যৎ নির্বাচনে এর প্রতিরোধ” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ওসমান হাদী হল (শেখ মুজিবুর রহমান হল) অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বক্তারা নির্বাচন ব্যবস্থায় অনিয়মের ঝুঁকি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং ভোটার সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে আলোচনা করেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর ও নির্বাচনব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলিম। তিনি বলেন, “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কেন হয় এর সহজ উত্তর হলো ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য। ইঞ্জিনিয়ারিং এমনভাবে করা হয়, যা সহজে ধরা পড়ে না; আবার কখনও এমনভাবে হয়, যা সবাই বুঝে ফেলে।”
ড. আলিম বলেন, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের একটি বড় জায়গা হলো নির্বাচন কমিশন গঠনের ধারা। কাগজে কমিশন স্বাধীন থাকলেও বাস্তবে কমিশনের স্বাধীনতা নির্ভর করে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবস্থান ও ভূমিকার ওপর।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী সীমানা নির্ধারণ, দল নিবন্ধনকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার, ভুয়া পর্যবেক্ষক সংস্থা, এবং সাংবাদিকদের কার্যকর প্রবেশাধিকার না থাকা এসবও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নানা রূপ।
অনুষ্ঠানে আইনজীবী ও রাজনীতি বিশ্লেষক ব্যারিস্টার এস. এম. শাহরিয়ার কবির বলেন, অতীতে ইঞ্জিনিয়ারিং কীভাবে হয়েছে তা অনুধাবন করতে পারলে ভবিষ্যতে তা ঠেকানো সহজ হবে। তিনি বলেন, সংবিধানে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন বলা হলেও মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা ও নিরপেক্ষতা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।