{{ news.section.title }}
যেসব কারণে খাবেন কাঠবাদাম
- Author, জাগরণ নিউজ ডেস্ক
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
কাঠবাদাম খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করেন। অনেকের ধারণা কাঠবাদাম ওজন বাড়িয়ে দেয়। তবে বাস্তবতা হলো, সঠিক ডায়েটে নিয়মিত কাঠবাদাম খেলে উল্টো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। স্ন্যাকস হিসেবে কাঠবাদাম একটি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার।
কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, কপার, সেলেনিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই বাদাম কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। চুল ও ত্বকের জন্যও কাঠবাদাম উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম খেলে এসব উপকার পাওয়া যায়।
শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপকারী ফ্যাটের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো কাঠবাদাম। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরের শক্তির চাহিদা পূরণে সহায়ক।
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে কাঠবাদামের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এতে থাকা রিবোফ্লাভিন ও এল কারনিটিন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করে এবং স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ৪ থেকে ৬টি ভেজানো কাঠবাদাম খেলে মস্তিষ্কের কাজের উন্নতি ঘটে। এটি শিশুদের বুদ্ধি বিকাশেও সহায়ক এবং আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
কাঠবাদাম কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
হার্টের সুস্থতার জন্য কাঠবাদাম অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন ই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত কাঠবাদাম খেলে হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা ভালো থাকে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও কাঠবাদাম কার্যকর। এটি ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর কাঠবাদাম খেলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে।
কাঠবাদাম শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে সহায়তা করে। এতে মনো স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড থাকলেও কোনো ট্রান্স ফ্যাট নেই। ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কম থাকে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কাঠবাদাম উপকারী। এতে থাকা ফসফরাস ও সোডিয়াম রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঠবাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কাঠবাদাম খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায় এবং বিপাকের হার বাড়ে।
হাড় ও দাঁত ভালো রাখতে কাঠবাদামে থাকা ফসফরাস, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান কার্যকর। এটি হাড়কে মজবুত করে এবং অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
পুষ্টির ঘাটতি দূর করতেও কাঠবাদাম সহায়ক। এতে ফাইবার, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের পাশাপাশি ভিটামিন বি টু, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা শরীর সুস্থ রাখতে জরুরি।
কাঠবাদামে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে।
ভিটামিন ই সমৃদ্ধ কাঠবাদাম শরীরের কোষের কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং বয়সজনিত ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে।
নিয়মিত কাঠবাদাম খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, কপার ও রিবোফ্লাভিন শক্তি উৎপাদন ও বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাঠবাদাম কার্যকর। এতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে সুরক্ষা দেয়।