{{ news.section.title }}
জন্ডিস হলে কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?
জন্ডিস হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল খাবার পান করুন। পূর্ণ বিশ্রাম নিন, বাইরের ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার সম্পূর্ণ বর্জন করুন এবং ফুটিয়ে বিশুদ্ধ পানি পান করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ (বিশেষ করে কবিরাজি বা প্যারাসিটামল) সেবন করবেন না।
জন্ডিস হলে প্রথম কাজ হলো আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। জন্ডিস নিজে কোনো রোগ নয়, বরং এটি লিভারের সমস্যার একটি লক্ষণ। সাধারণত রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে চোখ ও প্রস্রাব হলুদ হয়ে যায়।
জন্ডিস হলে করণীয় বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. বিশ্রাম ও সাধারণ নিয়ম
পরিপূর্ণ বিশ্রাম: লিভারের ওপর চাপ কমাতে অন্তত ২ সপ্তাহ শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্নতা: খাওয়ার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
বিশুদ্ধ পানি: সবসময় ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করা পানি পান করুন। রাস্তাঘাটের খোলা শরবত বা আখের রস এড়িয়ে চলুন।
২. খাদ্যাভ্যাস
যা খাবেন: সহজপাচ্য খাবার যেমন—পেঁপে, তরমুজ, আদা, রসুন, ডাবের পানি ও বেশি করে পানি পান করুন।
যা বর্জন করবেন: অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, ভাজাভুজি, বাইরের খাবার (ফুচকা, চটপটি), কাঁচা লবণ ও চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
অ্যালকোহল: জন্ডিস থাকা অবস্থায় অ্যালকোহল গ্রহণ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা জরুরি।
৩. ঔষধ ও সতর্কতা
চিকিৎসকের পরামর্শ: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ঔষধ (এমনকি সাধারণ প্যারাসিটামলও) খাবেন না, কারণ কিছু ঔষধ লিভারের ক্ষতি বাড়াতে পারে।
ভ্রান্ত ধারণা এড়ানো: কবিরাজি চিকিৎসা বা টোটকা (যেমন—গাছের শিকড় বা ঝাড়ফুঁক) এড়িয়ে সরাসরি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
৪. কখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন?
যদি জন্ডিসের সাথে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে দ্রুত হাসপাতালে যান:
তীব্র পেটে ব্যথা বা জ্বর।
মানসিক অস্থিরতা বা বিভ্রান্তি (Confusion)।
রক্তবমি বা অতিরিক্ত ওজন কমে যাওয়া।
জন্ডিস সাধারণত ১ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়, তবে সঠিক কারণ নির্ণয় করা জরুরি।