উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দৈনন্দিন জীবনযাপন

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দৈনন্দিন জীবনযাপন
ছবির ক্যাপশান, ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এখন সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যাগুলোর একটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন এবং প্রতি বছর এই সংখ্যা বাড়ছে।

উদ্বেগের বিষয় হলো, আক্রান্তদের একটি বড় অংশ জানেনই না যে তারা এ রোগে আক্রান্ত। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ শুরুতে কোনো দৃশ্যমান লক্ষণ সৃষ্টি করে না। অথচ নীরবে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি করতে থাকে। এ কারণেই চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চ রক্তচাপকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়।

 

চিকিৎসকরা বলছেন, হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি বিকল হওয়া, চোখের ক্ষতি এবং রক্তনালির জটিলতার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ। একসময় এটি মধ্যবয়সী ও বয়স্কদের রোগ হিসেবে বিবেচিত হলেও বর্তমানে তরুণ, এমনকি শিশু-কিশোরদের মধ্যেও উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা বাড়ছে। আধুনিক জীবনযাত্রা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, মানসিক চাপ এবং স্থূলতা এই বৃদ্ধির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

উচ্চ রক্তচাপ আসলে কী

রক্ত যখন শরীরের ধমনির দেয়ালে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। মানুষের হৃদপিণ্ড প্রতিনিয়ত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে রক্ত সারা শরীরে পৌঁছে দেয়। এই প্রক্রিয়ার সময় রক্তনালির দেয়ালে যে চাপ সৃষ্টি হয়, সেটিই রক্তচাপ।

 

রক্তচাপ সাধারণত দুটি সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। প্রথম বা উপরের সংখ্যাটি হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ, যা হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্ত পাম্প করার সময়ের চাপ নির্দেশ করে। দ্বিতীয় বা নিচের সংখ্যাটি হলো ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ, যা হৃদপিণ্ড বিশ্রামরত অবস্থায় ধমনিতে থাকা চাপকে নির্দেশ করে। উদাহরণ হিসেবে ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি (mmHg) রক্তচাপকে সাধারণত স্বাভাবিক ধরা হয়।

 

চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুযায়ী, সিস্টোলিক চাপ ১২০-এর নিচে এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০-এর নিচে থাকলে তা স্বাভাবিক হিসেবে বিবেচিত হয়। সিস্টোলিক ১২০ থেকে ১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৮৯ হলে তা উচ্চ রক্তচাপের পূর্বাবস্থা বা প্রি-হাইপারটেনশন হিসেবে ধরা হয়। সিস্টোলিক ১৪০ থেকে ১৫৯ অথবা ডায়াস্টোলিক ৯০ থেকে ৯৯ হলে স্টেজ-১ হাইপারটেনশন এবং সিস্টোলিক ১৬০ বা তার বেশি হলে তা স্টেজ-২ হাইপারটেনশন হিসেবে বিবেচিত হয়। এর চেয়েও বেশি হলে তা জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতিতে রূপ নিতে পারে।

 

কেন একে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়

উচ্চ রক্তচাপের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, এটি অনেক সময় কোনো উপসর্গ ছাড়াই বছরের পর বছর শরীরের ভেতরে ক্ষতি করতে পারে। একজন মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন, কাজ করছেন, অথচ তার রক্তচাপ দীর্ঘদিন ধরে বেশি থাকতে পারে।

 

চিকিৎসকদের মতে, অনেক রোগী প্রথমবার জানতে পারেন যে তাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে, যখন তারা হৃদরোগ, স্ট্রোক বা কিডনির জটিলতায় আক্রান্ত হন। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা ছাড়া অনেক সময় এ রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় করা, চোখে ঝাপসা দেখা, শ্বাসকষ্ট, দুর্বলতা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। যদিও এসব লক্ষণ শুধু উচ্চ রক্তচাপের জন্যই হয় না, তবুও এমন সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

 

উচ্চ রক্তচাপের বিভিন্ন ধরন

সব উচ্চ রক্তচাপ একই ধরনের নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর কয়েকটি ভিন্ন ধরন রয়েছে। প্রাইমারি বা এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন সবচেয়ে সাধারণ। এটি ধীরে ধীরে তৈরি হয় এবং সাধারণত বয়স, জেনেটিক কারণ ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত।সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন অন্য কোনো রোগের কারণে হতে পারে। যেমন কিডনি রোগ, থাইরয়েডের সমস্যা, স্লিপ অ্যাপনিয়া অথবা কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

 

হোয়াইট কোট হাইপারটেনশন নামের একটি অবস্থায় রোগীর বাড়িতে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলেও হাসপাতালে গেলে তা বেড়ে যায়। আবার মাস্কড হাইপারটেনশনে হাসপাতালের পরীক্ষায় স্বাভাবিক দেখা গেলেও বাড়িতে রক্তচাপ বেশি থাকে।

 

সাসটেইনড হাইপারটেনশনে সব জায়গাতেই রক্তচাপ বেশি থাকে। এছাড়া নকটারনাল হাইপারটেনশনে রাতে ঘুমের সময় রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

 

বাংলাদেশে কেন বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপ

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অফিসে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া, ফাস্টফুডের প্রতি ঝোঁক, মানসিক চাপ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব মানুষের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করছে।

 

বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশু ও কিশোরদের মধ্যেও এর হার বাড়ছে। অতিরিক্ত ওজন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, মোবাইল ও কম্পিউটার নির্ভর জীবন এবং খেলাধুলার অভাব এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে।

 

ওজন ও কোমরের মাপ কেন গুরুত্বপূর্ণ

চিকিৎসকরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম প্রধান ঝুঁকির কারণ হলো অতিরিক্ত ওজন। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমলে হৃদপিণ্ডকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। ফলে ধীরে ধীরে রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে। বিশেষ করে পেটের চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। অনেক সময় ওজন খুব বেশি না হলেও কোমরের মাপ বেশি থাকলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

 

গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র দুই কেজি ওজন কমাতে পারলেও অনেক মানুষের রক্তচাপ কমে আসে। তাই চিকিৎসকরা ওজন নিয়ন্ত্রণকে উচ্চ রক্তচাপ মোকাবিলার অন্যতম কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করেন।

 

লবণ কেন সবচেয়ে বড় শত্রু

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ রক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। লবণে থাকা সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে। ফলে রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ধমনির ওপর চাপ বৃদ্ধি পায়। সাধারণভাবে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২৩০০ মিলিগ্রামের কম সোডিয়াম গ্রহণ করা উচিত। অনেক বিশেষজ্ঞ আবার আরও কম গ্রহণের পরামর্শ দেন।

 

ফাস্টফুড, প্যাকেটজাত খাবার, চিপস, প্রক্রিয়াজাত মাংস, ইনস্ট্যান্ট নুডলস এবং বিভিন্ন রেডি-টু-ইট খাবারে প্রচুর সোডিয়াম থাকে। ফলে এগুলো নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

 

কোন খাবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু লবণ কমালেই হবে না, সঠিক খাবারও বেছে নিতে হবে। ফলমূল ও শাকসবজিতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কলা, কমলা, টমেটো, পালং শাক, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, শসা এবং বিভিন্ন সবুজ শাক এ ক্ষেত্রে উপকারী। এছাড়া ম্যাগনেশিয়াম ও আঁশসমৃদ্ধ খাবারও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডাল, শস্যদানা, বাদাম, ওটস এবং পূর্ণ শস্যজাত খাবার হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

 

চিকিৎসকরা জুসের পরিবর্তে আস্ত ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ আস্ত ফলে থাকা আঁশ শরীরের জন্য অতিরিক্ত উপকারী।

 

ব্যায়াম কীভাবে রক্তচাপ কমায়

নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম কার্যকর উপায়। ব্যায়াম হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যক্রমের পরামর্শ দেন। দ্রুত হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, নাচ কিংবা হালকা ব্যায়াম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে।

 

তবে একদিন ব্যায়াম করে কয়েকদিন বিরতি দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। দীর্ঘমেয়াদি সুফলের জন্য নিয়মিততা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

মানসিক চাপ ও ঘুমের প্রভাব

দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ শরীরে বিভিন্ন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে। কর্মক্ষেত্রের চাপ, পারিবারিক উদ্বেগ এবং অনিদ্রা অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

মেডিটেশন, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, বই পড়া, গান শোনা এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে।

 

ধূমপান ও অ্যালকোহলের ক্ষতি

ধূমপান রক্তনালিকে সংকুচিত করে এবং হৃদপিণ্ডের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। ফলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, তাদের জন্য অ্যালকোহল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কারণ এটি অনেক সময় রক্তচাপের ওষুধের কার্যকারিতাও কমিয়ে দিতে পারে।

 

সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার নিয়ম

চিকিৎসকদের মতে, রক্তচাপ মাপার সময় অনেকেই ভুল করেন। ফলে প্রকৃত রিডিং পাওয়া যায় না। রক্তচাপ মাপার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে চা, কফি, ধূমপান, ব্যায়াম বা ভারী খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। মাপার আগে কয়েক মিনিট শান্তভাবে বসে থাকতে হবে।

 

বাহুবন্ধনী বা কাফ সঠিকভাবে লাগাতে হবে। খুব বেশি টাইট বা ঢিলেঢালা হলে সঠিক ফল পাওয়া যায় না। মাপার সময় কথা বলা উচিত নয় এবং পা মাটিতে সমানভাবে রাখতে হবে।

 

কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি

যদি নিয়মিত রক্তচাপ ১৪০/৯০ বা তার বেশি থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়া ঘন ঘন মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড়, ঝাপসা দেখা অথবা অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা নিতে হবে। বিশেষ করে যাদের পরিবারে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

 

সচেতনতা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনই সবচেয়ে বড় অস্ত্র

চিকিৎসকরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সব সময় শুধু ওষুধই সমাধান নয়। অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা গ্রহণ করলে রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সুষম খাদ্যাভ্যাস, কম লবণ গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান ত্যাগ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানোর মতো ছোট ছোট অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

 

বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপকে জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও চিকিৎসকরা মনে করেন, সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এর বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কারণ উচ্চ রক্তচাপ নীরবে আঘাত হানে ঠিকই, কিন্তু সময়মতো সতর্ক হলে এর ক্ষতি অনেকটাই এড়িয়ে যাওয়া যায়।


সম্পর্কিত নিউজ