ইরান- আমেরিকার বন্ধুত্ব থেকে শত্রুতার ইতিহাস
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দা-কুমড়ার সমপর্ক হলেও একটা সময় ছিলো ইরান যুক্তরাষ্ট্রের খুব কাছের মিএ হিসেবে গণ্য হত । এমন কি কট্টর ইসলামিক দেশটি তে হলিউডের মুভি দেখার প্রচলন ছিলো সিনেমা হলে । ইরানের সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পড়ে গোসল করা ছিলো খুবই সাধারণ বিষয়। তাহলে কি কেন কি ভাবে দুই দেশের পারুদের আগুন আজ তুঙ্গে ?
ঘটনার ভিতরের ঘটনা জানতে হলে আমাদের যেতে হবে সত্তরের দশকে। রেজা শাহ পাহলভীর শাসন আমলে ইরানের সাথে আমেরিকার মধুর সমপর্ক ছিলো হঠাৎ কি কারণে দুই দেশের সমপর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকলো । বলা হয়ে থাকে আমেরিকা যার বন্ধু তার শত্রুর প্রইয়োজন হয় না। আমেরিকা ইরানের তেল কোম্পানি গুলোতে বিনিয়োগ করে এবং কম দামে ইরানের তেল নিজেদের দেশে পাচার করে। এই তেল কোম্পানির মুনাফা চলে যেত শাহ বংশের শাসকদের কোষাগারে এতে করে ইরানের জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে ।
দিনদিন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পএের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় রেজা শাহ পাহলভীর বিরোদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠে । ১৯৭৯ সালে কারাবন্দী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহানি খোমেনির- নেতৃত্বে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের ডাক দেই। ইসলামি কালচার ও দর্শন কে ভিত্তি করে ঘড়ে উঠে আন্দোলন । আপামর জনতা সরকারি বাঁধা উপেক্ষা করে দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। রেজা শাহ পাহলভী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয় নেয় । ইরানের সাধারণ জনগণ আমেরিকার এম্বাসি দখল করে সেই সাথে ৫২ জন আমেরিকান নাগরিক কে বন্ধী করে রাখে নিজেদের দেশে।
বিপ্লবীদের দাবী ছিলো পাহলভী কে ইরানে ফিরিয়ে দিলে বন্ধীদের মুক্তি দেওয়া হবে। এরই মধ্যে আমেরিকা কুটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যায় কিন্তু কোন কাজেই আসে না । ৫২ জন আমেরিকান ৪৪৪ ইরানে বন্ধী অবস্থায় ছিলো। আয়াতুল্লাহ খামেনির নেতৃত্বে ইরান ইয়ে উঠে একটি ইসলামি প্রজাত্নএ ।তার পর থেকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে প্রক্সি যুদ্ধ লেগেই আছে । ২০২৩ সালে ও আমেরিকা ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটক করে এবং একের পর এক অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে । এক সময় দেখা যায় ইরানের টাকার মান তলানিতে নেমে যায় । আমেরিকার চাপের মুখে ইরান এক ঘরে হয়ে যায় তবুও মাথানত করেনি।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।