{{ news.section.title }}
জুলাই গণহত্যার বিচারে জাতি ঐক্যবদ্ধ: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যা জাতিকে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এই গণহত্যার বিচার একটি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিচার প্রক্রিয়া এখন নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে।”
রোববার (২২ জুন) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ‘বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও দক্ষতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দীর্ঘ ৫৪ বছরেও যেসব বিচার ও সাংবিধানিক সংস্কার অসমাপ্ত ছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই সংস্কারের বাস্তব পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া।”
পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করে ড. ইউনূস বলেন, “অতীতে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অথচ একটি রাষ্ট্রে ন্যায়বিচারের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে বিচার ব্যবস্থাকে থাকতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। আমরা সেই অঙ্গীকার নিয়েই কাজ করছি।”
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে এবং কোনো চাপ ছাড়াই তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সেমিনারে বিচার প্রশাসন, মানবাধিকার এবং সাংবিধানিক আইনের ওপর আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন দেশের খ্যাতনামা আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।
তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দীর্ঘ ৫৪ বছরেও যেসব বিচার ও সাংবিধানিক সংস্কার অসমাপ্ত ছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই সংস্কারের বাস্তব পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া।”
পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করে ড. ইউনূস বলেন, “অতীতে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অথচ একটি রাষ্ট্রে ন্যায়বিচারের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে বিচার ব্যবস্থাকে থাকতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। আমরা সেই অঙ্গীকার নিয়েই কাজ করছি।”
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে এবং কোনো চাপ ছাড়াই তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সেমিনারে বিচার প্রশাসন, মানবাধিকার এবং সাংবিধানিক আইনের ওপর আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন দেশের খ্যাতনামা আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।