{{ news.section.title }}
এগিয়ে আসছে দোকান-শপিং মল বন্ধের সময়?
দেশের জ্বালানি খাতে বাড়তি চাপ সামাল দিতে নতুন কিছু সিদ্ধান্তের কথা ভাবছে সরকার। বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন খাতে নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, দোকানপাট, মার্কেট ও শপিং মল আগেভাগে বন্ধ করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রাত ৮টার মধ্যেই এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা আসতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে রাত সাড়ে ৮টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এছাড়া জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য আরও কিছু বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও ভাবছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও আংশিক অনলাইন ক্লাস চালু করা, সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো এবং সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য হোম অফিস চালুর মতো উদ্যোগ। করোনাকালেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, যা এবারও অনুসরণ করা হতে পারে।
এদিকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু জানিয়েছেন, দোকানপাট ও শপিং মলের খোলা ও বন্ধের সময় নিয়ে সরকার শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে। এ বিষয়ে বুধবার রাতে তাদের স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখানে নেওয়া প্রস্তাব সরকারকে জানানো হবে।
তিনি বলেন, যেহেতু সরকারি-বেসরকারি অফিস বিকেল ৫টায় ছুটি হয়, তাই অন্তত রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখা প্রয়োজন। কারণ অফিস শেষে অনেকেই কেনাকাটার জন্য মার্কেটে আসেন।
আরো পড়ুন: অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আজ
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীরাও কিছু পদক্ষেপে সম্মত হয়েছেন। জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে এক সভায় ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত আলোকসজ্জা কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন, শর্ত ছিল নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ।
এছাড়া শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষা খাতেও পরিবর্তন আনার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।