{{ news.section.title }}
চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ল অকটেনবাহী দুই জাহাজ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে মালয়েশিয়া থেকে পরিশোধিত অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
বুধবার রাতে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজ ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙরের ব্রাভো অ্যাংকরেজে পৌঁছায়। একই সময়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজ ২৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে চার্লি অ্যাংকরেজে অবস্থান নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফাত হামিম।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের আশঙ্কা থাকায় এখন পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে গড়ে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। বাকি অংশ পরিশোধিত অবস্থায় সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আনা হয়।
চলতি এপ্রিল মাসে দেশে প্রায় ৪ লাখ টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি। এই চাহিদা পূরণে ইতোমধ্যে আমদানি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি এ মাসে আরও সোয়া ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনাও রয়েছে।
জ্বালানি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে সরবরাহ ব্যবস্থাকে বহুমুখী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একক অঞ্চলের ওপর নির্ভরতা কমাতে না পারলে ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।