ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম মূলধন ৩০০ কোটি টাকা!

- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে এখন থেকে উদ্যোক্তাদের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হিসেবে ৩০০ কোটি টাকা জমা দিতে হবে। আগে এই সীমা ছিল ১২৫ কোটি টাকা।
গতকাল রবিবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে একটি সার্কুলার জারির মাধ্যমে এ বার্তা জানায়।
ব্যাংক আরো জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রাইমারি শেয়ার (আইপিও) ছাড়তে হবে। এই আইপিও’র পরিমাণ অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের কমপক্ষে সমান হতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক একটি প্রধান কার্যালয় থেকে পরিচালিত হবে। তবে এর কোনো শাখা থাকবে না। গ্রাহকরা একটি অ্যাপের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবেন, যার মধ্যে টাকা জমা ও খরচ করা উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। এই ব্যাংকগুলো কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বা সরাসরি কাউন্টার-ভিত্তিক সেবা দেবে না।
গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ডিজিটাল ব্যাংকগুলো ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড এবং অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য সরবরাহ করতে পারবে। তবে তারা প্লাস্টিক কার্ড (ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড) ইস্যু করতে পারবে না। এসব ব্যাংকের গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম এবং এজেন্ট সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
ডিজিটাল ব্যাংক কোনো লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খুলতে পারবে না এবং বড় বা মাঝারি শিল্পে ঋণ দিতে পারবে না। তারা শুধুমাত্র ক্ষুদ্র খাতে ঋণ প্রদান করতে পারবে।
ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের অধীনে। তাদের পেমেন্ট পরিষেবাগুলো ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনের আওতায় পরিচালিত হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা জারি করেছিল, যেখানে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের সীমা ১২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে যেখানে ৫০০ কোটি টাকা মূলধনের প্রয়োজন হয়, সেখানে ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য এই সীমা যথেষ্ট কম ছিল।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।