স্বাদে মোঘল, রূপে রাজা—গ্লাসি বানাতে হলে জানতে হবে এই সিক্রেট!

- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
প্রাচীন ভারতীয় রান্নার ঐতিহ্য আর সমৃদ্ধ স্বাদের এক অসাধারণ উপহার হলো মোঘল গ্লাসি। এটি শুধু মিষ্টান্ন নয়, বরং মোঘল সম্রাজ্যের রাজার খাদ্যের মতো সমৃদ্ধি আর ঐশ্বর্যকে বহন করে। গরমকালে ঠান্ডা উপভোগের জন্য এটি একেবারে অনন্য। আজ আমরা শিখব কিভাবে ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে এই কিংবদন্তি মিষ্টি তৈরি করা যায়।
উপকরণ:
⇨ দুধ – ১ লিটার (পূর্ণ ফ্যাট দুধ হলে আরও ক্রিমি স্বাদ)
⇨ চিনি – ৮০-১০০ গ্রাম (স্বাদ অনুযায়ী)
⇨ কেশর (সফরানি) – এক চিমটি
⇨ এলাচ গুঁড়া – ১ চা চামচ
⇨ কাজু এবং পেস্তা – ২-৩ টেবিল চামচ (চপ করা)
⇨ দারচিনি বা জায়ফল – স্বল্প পরিমাণ (ঐচ্ছিক)
⇨ ঘন দই বা ক্রিম – ২ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক, ক্রিমিয়াস স্বাদের জন্য)
প্রস্তুত প্রণালী:
১. প্রথমে দুধটি একটি পাত্রে ঢালুন এবং মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে গরম করুন। নিয়মিত নাড়তে থাকুন যেন দুধ ঝলস না করে।
২. দুধ ফুটতে শুরু করলে চিনি মেশান এবং সম্পূর্ণ গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়ুন।
৩. কেশরকে সামান্য গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে দুধে যোগ করুন, এতে রঙ ও সুগন্ধ আরও প্রাণবন্ত হবে।
৪. এলাচ গুঁড়া, চপ করা কাজু-পেস্তা এবং প্রয়োজনে দারচিনি বা জায়ফল মেশান।
৫. দুধ প্রায় অর্ধেক পরিমাণে কমে আসা পর্যন্ত নাড়ুন। এতে গ্লাসি ক্রিমি ও ঘন হবে।
৬. এবার দই বা ক্রিম যোগ করুন। নরমালো মিশ্রণ তৈরি হবে যা আরও সমৃদ্ধ স্বাদ দেবে।
৭. মিশ্রণটি গ্লাসি সাঁটানো পাত্রে ঢালুন এবং ফ্রিজে ৬–৮ ঘণ্টা ফ্রিজ করুন। সম্পূর্ণ জমে গেলে বের করে পরিবেশন করুন।
৮. উপরে আরও কিছু চপ করা বাদাম ছড়িয়ে সাজান।
রেসিপির বিশেষ দিক:
মোঘল গ্লাসির মূল গুণ হলো এর ঘনতা এবং ক্রিমিয়াস স্বাদ। কাজু-পেস্তা ও কেশরের সংমিশ্রণ একেবারে রাজকীয় অনুভূতি দেয়। এটি সাধারণ আইসক্রিমের চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ এবং ঐশ্বর্যপূর্ণ।
গরমের দিনে এক চামচ মোঘল গ্লাসি শুধু ঠান্ডা দেয় না, বরং প্রাচ্যের সমৃদ্ধ স্বাদের যাদু উন্মোচন করে। প্রতিটি চুমুকের সঙ্গে ইতিহাস আর রাজার খাবারের মতো অভিজ্ঞতা জড়িত।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।