পোস্টাল ব্যালটে ভোটের ছবি বা ভিডিও ছড়ালে এনআইডি স্থগিতের সতর্কতা ইসির
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ছবি কিংবা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সাময়িক বা স্থায়ীভাবে ব্লকসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে এই বিষয়ে নতুন করে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সংস্থাটি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পোস্টাল ভোট ব্যবস্থার আওতায় ভোটদানের সময় ব্যালট পেপারের ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রম নির্বাচন সংক্রান্ত আইন ও আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন হওয়ায় কমিশন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট এক বার্তায় বলা হয়, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান সম্পূর্ণভাবে গোপনীয় প্রক্রিয়া। এই গোপনীয়তা রক্ষা করা শুধু ভোটারের অধিকার নয়, একই সঙ্গে একটি আইনগত দায়িত্বও। ভোট দেওয়ার দৃশ্য, ব্যালট পেপার বা ভোটসংক্রান্ত কোনো তথ্য ছবি বা ভিডিও আকারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে এ ধরনের কনটেন্ট ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিলে তার বিরুদ্ধে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লক করা ছাড়াও প্রযোজ্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভোটাধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পোস্টাল ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা রক্ষায় এই বিধিনিষেধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের গোপনীয়তা ক্ষুণ্ন হলে নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর জনআস্থা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই ভোটারদের সচেতন থাকতে এবং কোনোভাবেই ভোট প্রদানের প্রমাণ বা দৃশ্য প্রকাশ না করতে অনুরোধ জানিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটারদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, আইন মেনে দায়িত্বশীল আচরণ করলেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব। পোস্টাল ভোট ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করতে পারে-এমন কোনো কার্যক্রম থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।