সাহরিতে এড়িয়ে চলুন এই ৫ ধরনের খাবার

- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
রমজান মাসে সাহরি হলো সারা দিনের রোজার শক্তির মূল উৎস। তবে কিছু খাবার আছে, যা সাহরিতে খেলে পানিশূন্যতা, পেটের গোলযোগ বা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, জেনে নিন কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন সাহরির সময়।
১. অতিরিক্ত মসলাদার ও ঝাল খাবার
গরম মসলা, মরিচ বা তেল-ঘিতে ভাজা খাবার সাহরিতে এড়িয়ে চলাই ভালো। এ ধরনের খাবার পেটে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এবং তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়, যা রোজার সময় অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
২. তেলে ভাজা ও চর্বিযুক্ত খাবার
সমুচা, পুরি, পরোটা বা ফাস্ট ফুড জাতীয় তেলে ভাজা খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং দিনভর অলসতা ও পানির তৃষ্ণা বাড়ায়। এর বদলে সহজে হজম হয়—এমন পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন।
৩. মিষ্টি ও চকোলেট
অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার বা চকোলেট খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়ে ও আবার দ্রুত কমে যায়, ফলে ক্লান্তি ও ক্ষুধা বেড়ে যেতে পারে। প্রক্রিয়াজাত মিষ্টির বদলে প্রাকৃতিক মিষ্টি (যেমন খেজুর বা ফল) খাওয়া উত্তম।
৪. লবণাক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার
চিপস, প্যাকেটজাত নোনতা স্ন্যাক্স বা ক্যানড ফুড শরীরে পানির চাহিদা বাড়িয়ে দেয়, যা রোজার সময় ডিহাইড্রেশন তৈরি করতে পারে। এছাড়া, দুধের সঙ্গে টক বা নোনতা খাবার মেলাবেন না—এটি পেটে গ্যাসের সমস্যা বাড়ায়।
৫. ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংকস শরীর থেকে পানি শুষে নেয়, ফলে দিনের বেলায় দুর্বলতা ও মাথাব্যথা হতে পারে। সাহরিতে হালকা গরম পানি বা ফ্রেশ জুস পান করা ভালো বিকল্প।
পরামর্শ
সাহরিতে সহজে হজম হয়, এমন প্রোটিন, জটিল কার্বোহাইড্রেট (যেমন: লাল আটার রুটি, ওটস) ও ফাইবারযুক্ত খাবার (শাকসবজি, ফল) রাখুন। সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করে ডিহাইড্রেশন রোধ করুন।
সতর্কতা: যাদের বিশেষ শারীরিক সমস্যা (ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক ইত্যাদি) আছে, তারা চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার নির্বাচন করবেন।
এই নিয়মগুলো মেনে সাহরি করলে রোজা রাখা হবে স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক!