ঈদে ডায়াবেটিস রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বিশেষ সতর্কতা

- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
ঈদের আনন্দে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোজার পর হঠাৎ করে বেশি খাবার গ্রহণ ও মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রাচুর্য ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে কিছু সতর্কতা মেনে চললে ঈদেও সুস্থ থাকা সম্ভব।
মিষ্টি এড়াতে যা করণীয়
-
চিনিযুক্ত খাবারের বদলে আর্টিফিশিয়াল সুইটনার ব্যবহার করা যেতে পারে।
-
সেমাই, পায়েস বা ফিরনি বানানোর সময় চিনির বদলে সুক্রালোজ বা স্টিভিয়া ব্যবহার করা যায়।
-
মিষ্টি ফল (আম, লিচু, আঙুর) এড়িয়ে কম মিষ্টি ফল (পেয়ারা, জাম্বুরা, আপেল) খাওয়া ভালো।
মাংস খাওয়ার নিয়ম
-
দিনে ২৫০-৩০০ গ্রামের বেশি মাংস না খাওয়া উচিত।
-
চর্বি ছাড়া মাংস রান্না করতে হবে।
-
একবারে বেশি প্রোটিন না খেয়ে তা দুই-তিন বারে ভাগ করে নিন।
খাদ্যাভ্যাসের বিশেষ টিপস
১. পরিমিত খান: সব খাবারই খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণে সীমিত রাখতে হবে।
২. ছোট প্লেট ব্যবহার করুন: একবারে বেশি খাবার না নিয়ে অল্প অল্প করে খান।
৩. ধীরে চিবিয়ে খান: এতে হজম ভালো হবে এবং অতিরিক্ত খাওয়া এড়ানো যাবে।
৪. টিভি বা গল্পের মধ্যে খাবেন না: এতে অজান্তেই বেশি খাওয়া হয়ে যায়।
৫. খাওয়ার পর হাঁটুন: বিশেষ করে রাতের খাবারের পর ১০-১৫ মিনিট হাঁটলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
রক্তে শর্করা পরীক্ষা ও পানির ভারসাম্য
-
নিয়মিত গ্লুকোমিটারে সুগার লেভেল চেক করুন।
-
কোমল পানীয় বা প্যাকেট জুস এড়িয়ে সাধারণ পানি, ডাবের পানি বা চিনিবিহীন লাচ্ছি/বোরহানি পান করুন।
-
ডায়াবেটিসের লক্ষণ (অতিরিক্ত পিপাসা, ঝাপসা দেখা, দুর্বলতা) দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।