এবারো বিশ্বের ধনীদের তালিকা শীর্ষে ইলন মাস্ক

- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় এবারও প্রথম স্থান দখল করেছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, মাস্কের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪২ বিলিয়ন ডলার (৩৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার)। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি গত বছরের মতো এবারও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির খেতাব রক্ষা করেছেন।
ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন মোট ৩,২৮জন। এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২৪৭জন বেশি। বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মোট সম্পদের পরিমাণ এখন ১৬.১ ট্রিলিয়ন ডলার।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেটার (পূর্বে ফেসবুক) প্রধান মার্ক জাকারবার্গ। তাঁর বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ২১৬ বিলিয়ন ডলার (২১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার)। অন্যদিকে, ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন ২১৫ বিলিয়ন ডলার (২১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার) সম্পদ নিয়ে।
ফ্যাশন ও কসমেটিক্স জায়ান্ট এলভিএমএইচ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা বার্নার্ড আর্নল্ট পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ১৭৮ বিলিয়ন ডলার (১৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলার) সম্পদ নিয়ে। তার আগে সফটওয়্যার জায়ান্ট ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন চতুর্থ স্থান দখল করেছেন ১৯২ বিলিয়ন ডলার (১৯ হাজার ২০০ কোটি ডলার) সম্পদ নিয়ে।
বিশ্বের অন্যতম সেরা বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন ১৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার) সম্পদ নিয়ে। গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ সপ্তম এবং সের্গেই ব্রিন অষ্টম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন যথাক্রমে ১৪৪ বিলিয়ন ডলার ও ১৩৮ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে।
স্পেনের ফ্যাশন মহানায়ক আমানসিও ওর্তেগা নবম স্থানে রয়েছেন ১২৪ বিলিয়ন ডলার (১২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার) সম্পদ নিয়ে। অন্যদিকে, মাইক্রোসফটের সাবেক সিইও স্টিভ বালমার দশম স্থান দখল করেছেন ১১৮ বিলিয়ন ডলার (১১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার) সম্পদ নিয়ে।
ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের সংখ্যা এবং তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ বাড়ছে প্রতিবছরই। এই তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পদের বিস্তৃতি দেখে মনে হয়, বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্রে এখনও কয়েকজন ব্যক্তির অবদান অপরিসীম।
ফোর্বসের প্রতিবেদনটি বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট ছবি উপস্থাপন করেছে, যেখানে টেকনোলজি ও বিনিয়োগ খাতের ব্যক্তিদের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান।