{{ news.section.title }}
তওবা করার সঠিক নিয়ম ও দোয়া
আরবি তওবা শব্দের মূল অর্থ হলো ফিরে আসা-ভুল পথ থেকে সঠিক পথে প্রত্যাবর্তন করা। অর্থাৎ পাপের অন্ধকার ছেড়ে নেকির আলোয় ফিরে আসাই তওবা। ইসলামী পরিভাষায়, আন্তরিক অনুশোচনার সঙ্গে অতীতে করা সব গুনাহ ত্যাগ করে ভবিষ্যতে সেগুলো আর না করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করাকে তওবা বলা হয়। গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
ইসলাম মানুষকে সবসময় পাপমুক্ত ও সৎ জীবনযাপনের শিক্ষা দেয়। আল্লাহ তাআলা যেমন ভালো কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন, তেমনি মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকার কথাও বলেছেন। তবে বাস্তব জীবনে নানা পরিবেশ ও পরিস্থিতির কারণে মানুষের পক্ষে সম্পূর্ণভাবে পাপমুক্ত থাকা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তাই যখন কোনো মানুষ ভুল করে বা গুনাহে লিপ্ত হয় এবং পরে অনুতপ্ত হয়, তখন তার জন্য আল্লাহ তাআলা ক্ষমা প্রার্থনার পথ উন্মুক্ত রেখেছেন। এজন্য গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য বিভিন্ন দোয়া শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, যা পাঠ করলে বান্দা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে পারে।
তওবা মূলত আল্লাহর দিকে ফিরে আসার একটি আন্তরিক প্রচেষ্টা। এটি এমন এক প্রত্যাবর্তন, যার মাধ্যমে মানুষ আবার সৎপথে ফিরে আসে এবং জান্নাতের পথে এগিয়ে যেতে পারে। কারণ, যখন কেউ পাপ ও অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়, তখন সে ধীরে ধীরে জাহান্নামের দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু যদি সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং সঠিক পথে ফিরে আসে, তাহলে আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেন।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
وَ سَارِعُوْۤااِلٰي مَغْفِرَةٍمِّنْ رَّبِّكُمْوَ جَنَّةٍعَرْضُهَا السَّمٰوٰتُوَ الْاَرْضُاُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِيْنَ
উচ্চারণঃ ওয়াসারি‘ঊ ইলা মাগফিরাতিম মির রাব্বিকুম ওয়া জান্নাতিন ‘আর্দুহাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বু, উ‘ইদ্দাত লিলমুত্তাক্বীন।
অর্থঃ আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আকাশসমূহ ও পৃথিবীর সমান, যা মুত্তাকিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। (সুরা আলে ইমরান: ১৩৩)
তওবার দোয়া :
(১)
আরবি
أَسْتَغْفِرُ اللهَالَّذِيْ لآإِلَهَ إِلاَّهُوَ الْحَيُّالْقَيُّوْمُ وَأَتُوْبُإِلَيْهِ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহে’
অর্থঃ আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক এবং আমি তাঁর দিকেই ফিরে যাচ্ছি (বা তওবা করছি)।
তিরমিজি শরিফে বর্ণিত একটি হাদিসে বলা হয়েছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন,
“যে ব্যক্তি এই দোয়া পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন-এমনকি সে যদি জিহাদের ময়দান থেকে পলাতকও হয়ে থাকে।”
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও নিয়মিত এই দোয়া পড়তেন এবং তাঁর উম্মতদেরও তা শিখিয়েছেন।
পবিত্র কোরআনের সুরা আন-নূরের ৩১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন,
“হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তওবা করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।”
এ ছাড়া সুরা আত-তাহরিমের ৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন,
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করো।”
অন্যদিকে মুসলিম শরিফের (৭০৩৪) নম্বর হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন,
“ইয়া আইয়্যুহান নাসু তুবু ইলাল্লাহি।”
অর্থ: “হে মানবজাতি! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো।” অর্থাৎ আল্লাহর দিকে ফিরে এসো এবং তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করো।
আলেমদের মতে, সব সময় তওবা করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তওবা মানুষের জন্য জান্নাত লাভের পথ খুলে দেয়, জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুযোগ সৃষ্টি করে এবং আল্লাহর ক্ষমা ও ভালোবাসা অর্জনের বড় মাধ্যম। এ প্রসঙ্গে সুরা বাকারার ২২২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন,
“নিশ্চয়ই আল্লাহ অধিক তওবাকারীদের ভালোবাসেন।
(২)
আরবি
لآإِلَهَ إِلاَّأَنْتَ سُبْحَانَكَإِنِّيْ كُنْتُمِنَ الظَّالِمِيْنَ‘
উচ্চারণঃ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যোয়া-লিমীন’
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি মহা পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত। হযরত মুহাম্মদ (সা. বলেন, যখন কোন মুসলিম কোন সমস্যায় এই দো‘আর মাধ্যমে তার পালনকর্তাকে আহবান করে, যা ইউনুস মাছের পেটে গিয়ে করেছিলেন, তখন আল্লাহ তার আহবানে সাড়া দেন। [134]
(৩)
আরবি
رَبِّ اغْفِرْ لِيْوَتُبْ عَلَيَّإِنَّكَ أَنْتَالتَّوَّابُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণঃ রব্বিগফিরলী ওয়া তুব ‘আলাইয়া, ইন্নাকা আনতাত তাউওয়া-বুর রহীম’
অর্থঃহে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা কর ও আমার তওবা কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি তওবা কবুলকারী ও দয়াবান ১০০ বার।
ইসলামে তওবার গুরুত্ব ও শর্ত
মানুষ ভুল করে, গুনাহ করে। কিন্তু ইসলামে আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন। কেউ যদি নিজের ভুল বুঝতে পেরে আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করে দেন। কোরআন ও হাদিসে তওবার গুরুত্ব, শর্ত এবং পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।
হাদিসে তওবার গুরুত্ব
তওবার গুরুত্ব বোঝাতে মহানবী (সা.) নিজেই উম্মতকে শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেন,
‘আল্লাহর কসম, আমি প্রতিদিন সত্তর বারের অধিক আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করি ও তওবা করি।’ (বুখারি: ৬৩০৭)
চিন্তা করে দেখুন, মহানবী (সা.) সম্পূর্ণ নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন সত্তরের বেশি এবং কোনো কোনো বিশুদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী একশো বার পর্যন্ত আল্লাহর কাছে তওবা ও ইস্তিগফার করতেন। সেখানে আমাদের মতো গুনাহগারদের কত বেশি তওবা করা প্রয়োজন, তা সহজেই অনুমেয়।
নবী (সা.) তওবা করতেন না যে তিনি পাপ করতেন; বরং তিনি উম্মতকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই নিয়মিত তওবা করতেন।
আরেকটি হাদিসে তওবার মর্যাদা বোঝাতে রাসুল (সা.) একটি উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেন,
‘এমন এক ব্যক্তির কথা ভাবুন, যিনি বিস্তীর্ণ কোনো মরুভূমিতে ভ্রমণকালে তার বাহনটি হারিয়ে ফেলেছেন। বাহনের সঙ্গে তাঁর খাবার-পানীয়ও ছিল। বাহনটি খুঁজে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে তিনি একটি গাছের নিচে গিয়ে শুয়ে পড়লেন। এরকম নৈরাশ্যঘেরা সময়ে হঠাৎ করে তিনি দেখলেন, তাঁর বাহন তাঁর সামনেই দাঁড়িয়ে আছে। তিনি লাগাম ধরে খুশির উত্তেজনায় বলে বসেন, হে আল্লাহ আপনি আমার বান্দা এবং আমি আপনার খোদা। তিনি খুশিতেই ভুলটা করেছেন। আচ্ছা বলুন তো এই বান্দার খুশির পরিমাণ কেমন হবে? কোনো বান্দা তওবা করলে আল্লাহ তাআলা এর চেয়েও বেশি খুশি হন।’ (মুসলিম: ২৭৪৭)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, বান্দা যখন আন্তরিকভাবে তওবা করে, তখন আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন।
তওবার মূল পাঁচটি শর্ত
কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলেমগণ তওবার আরও কিছু মৌলিক শর্ত উল্লেখ করেছেন। প্রকৃত তওবা তখনই কবুল হয় যখন নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পূরণ হয়-
১. ইখলাস-শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তওবা করতে হবে। লোক দেখানো বা দুনিয়াবি স্বার্থে তওবা করলে তা গ্রহণযোগ্য হয় না।
২. পাপ কাজ পরিত্যাগ করা-পাপ কাজ করতে থাকলে এবং একই সঙ্গে তওবা করলে সেই তওবা গ্রহণযোগ্য হয় না।
৩. অনুতাপ-গুনাহের জন্য অন্তর থেকে লজ্জিত ও অনুতপ্ত হতে হবে।
৪. দৃঢ় সংকল্প-ভবিষ্যতে সেই গুনাহ আর না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকতে হবে।
৫. সময়ের আগে তওবা করা-মৃত্যুর লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই তওবা করতে হবে। মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলে তওবা গ্রহণ করা হয় না।
ইমাম নববি (রহ.) বলেন, তওবা কবুল হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো-তওবা করতে হবে গলার কাছে আত্মা পৌঁছানোর আগেই। সহিহ হাদিসে এসেছে, আর যখন আত্মা কণ্ঠনালিতে পৌঁছে যায়, অর্থাৎ মৃত্যুর নিকটবর্তী মুহূর্ত আসে, তখন আর তওবা কবুল হয় না। (শরহে মুসলিম লিন-নববি)
মানুষের অধিকার নষ্ট করার পরিণতি
যেসব গুনাহ মানুষের অধিকার সম্পর্কিত-যেমন জুলুম করা, সম্পদ আত্মসাৎ করা, চুরি বা ছিনতাই করা-এসব ক্ষেত্রে শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়াই যথেষ্ট নয়। ভুক্তভোগী ব্যক্তিকেও সন্তুষ্ট করতে হবে।
কারণ মানুষের ওপর জুলুমের পাপ শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলেই মাফ হয় না। কেয়ামতের দিন এসব অন্যায়ের বিচার হবে।
রাসুল (সা.) বলেন,
‘কারো উপর তার ভাইয়ের কোনো দাবি থাকলে সে যেন তা থেকে মুক্ত হয়। কারণ কেয়ামতের দিন পাওনা পরিশোধের জন্য টাকা-পয়সা থাকবে না। তখন অন্যায়ের সমপরিমাণ সওয়াব পাওনাদারের জন্য নিয়ে নেওয়া হবে। সওয়াব না থাকলে পাওনাদারের গুনাহগুলো তার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (সহিহ বুখারি)
তওবার ব্যাপারে কোরআনের নির্দেশনা
আল্লাহতায়ালা বলেন,
‘হে মোমিনরা তোমরা আল্লাহতায়ালার কাছে তওবা কর, আন্তরিক তওবা। আশা করা যায় তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কাজ ক্ষমা করে দেবেন এবং তোমাদের দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। (সূরা আত তাহরিম : ৮)।’
এখানে “আন্তরিক তওবা” বলতে এমন তওবাকে বোঝানো হয়েছে, যা লোক দেখানো বা নাম-যশের জন্য নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও শাস্তির ভয় থেকে আন্তরিকভাবে করা হয়।
আলেমদের দৃষ্টিতে আন্তরিক তওবা
হজরত হাসান বসরি (রহ.) বলেন, বিগত পাপের জন্য অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে তা পুনরায় না করার দৃঢ় ইচ্ছা করাই হলো আন্তরিক তওবা।
হজরত কলবি (রহ.) বলেন, আন্তরিক তওবা হলো-মুখে ক্ষমা প্রার্থনা করা, অন্তরে অনুশোচনা করা এবং ভবিষ্যতে সেই গুনাহ থেকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে বিরত রাখা।
হজরত আলী (রা.)-কে তওবা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ছয়টি বিষয় একত্র হলে প্রকৃত তওবা সম্পন্ন হয়-
১. অতীত পাপের জন্য অনুতাপ করা
২. যেসব ফরজ ও ওয়াজিব কাজ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলোর কাজা আদায় করা
৩. অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করলে তা ফিরিয়ে দেওয়া
৪. কাউকে কষ্ট দিলে তার কাছে ক্ষমা চাওয়া
৫. ভবিষ্যতে গুনাহে না ফেরার দৃঢ় সংকল্প করা
৬. নিজের জীবনকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে আনুগত্যের পথে ফিরিয়ে আনা
তওবা দেরি না করার নির্দেশ
আল্লাহতায়ালা বলেন,
‘নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, দয়ালু। অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভুলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে। এরাই হলো সেসব লোক, যাদের আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোনো ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমনকি যখন তাদের কারও মাথার ওপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকে, আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরি অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। (সূরা আন নিসা : ১৬-১৮)।’
তওবার মর্যাদা
বান্দা যখন আন্তরিকভাবে তওবা করে, তখন তার পূর্বের গুনাহ এমনভাবে মুছে যায় যেন সে কখনো সেই পাপ করেনি।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,
পাপকর্মের প্রকৃত তওবাকারীর অবস্থা এমন হয়, যেন তার কোনো পাপই নেই।
মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ভুল বুঝে আল্লাহর কাছে ফিরে আসাই প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য। তাই তওবা করতে হবে আন্তরিকভাবে, সব ধরনের গুনাহ পরিত্যাগ করে এবং মৃত্যুর আগেই।
মৃত্যু কখন আসবে আমরা কেউ জানি না। তাই পাপের বোঝা নিয়ে দেরি না করে এখনই আল্লাহর কাছে তওবা করা উচিত। কারণ এমন সুযোগ হয়তো আর নাও আসতে পারে।