{{ news.section.title }}
শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতিদিন ১৮ কোটি টাকার ক্ষতি
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা, যান্ত্রিক ত্রুটি, অগ্নিকাণ্ড ও মেরামত জটিলতায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে সরকার। সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, শাহজীবাজারের ১০০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১৮ কোটি টাকার সম্ভাব্য সাশ্রয় বা উৎপাদন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রাষ্ট্র। গত কয়েক বছরে এ ক্ষতির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি ছাড়িয়েছে বলেও দাবি করেছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।
শাহজীবাজারে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রই জাতীয় গ্রিডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কথা ছিল। এর মধ্যে ১০০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন কেন্দ্রটি দ্রুত চালু ও বন্ধ করা যায়-এমন আধুনিক প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিকল্পিত ছিল। অন্যদিকে ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল কেন্দ্রটি গ্যাসভিত্তিক বড় উৎপাদন সক্ষমতার কারণে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটির ক্ষেত্রে টারবাইনের ব্লেড ভেঙে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি, আর অন্যটির ক্ষেত্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড-দুটি কেন্দ্রকেই দীর্ঘদিন পূর্ণ সক্ষমতার বাইরে রেখেছে।
৮৯০ কোটি টাকার ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্র: ছয় বছরেও পূর্ণ উৎপাদনে নয়
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শাহজীবাজার ১০০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ২০২০ সালে উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি ২০১৭ সালে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। প্রকল্পের কাজ পায় চীনের প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল ক্যাবল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন-সিসিসিইসি। কেন্দ্রটিতে যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিকের এলএম-১০০ মডেলের অ্যারো-ডেরিভেটিভ গ্যাস টারবাইন স্থাপন করা হয় বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে এ ধরনের টারবাইন দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে সক্ষম। জিই ভার্নোভার তথ্য অনুযায়ী, শাহজীবাজার ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি এশিয়া অঞ্চলে প্রথম এলএমএস১০০ অ্যারোডেরিভেটিভ গ্যাস টারবাইন স্থাপনের প্রকল্পগুলোর একটি; এই প্রযুক্তির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মাত্র কয়েক মিনিটে উৎপাদনে যেতে পারা, যা গ্রিড স্থিতিশীলতা ও জরুরি চাহিদা মেটাতে সহায়ক।
কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্রটি কাঙ্ক্ষিত সফলতা দেখাতে পারেনি। ২০২০ সালে করোনার কারণে বিদেশি প্রকৌশলীরা দেশ ছাড়লে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়। পরে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের সময় টারবাইনের ব্লেড ভেঙে যায়। মেরামতের পর একই বছরের অক্টোবরে আবার চালুর চেষ্টা করা হলেও কিছুদিন পর নতুন করে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর নতুন ‘সুপার কোর মেশিন’ স্থাপন করে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আবার উৎপাদনে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু প্রায় দুই মাস চলার পর ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল পুনরায় টারবাইনের ব্লেড বিকল হয়ে কেন্দ্রটি আবার বন্ধ হয়ে যায়।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, গত চার বছরে কেন্দ্রটি মাত্র ১ হাজার ৬১০ ঘণ্টা চালু ছিল। এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৬৪ কোটি টাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু থাকলে প্রতিদিন প্রায় ২৪ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারত, যার বর্তমান বাজারমূল্য দৈনিক প্রায় ২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে গত ছয় বছরে শুধু ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্র থেকেই প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য উৎপাদন ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
৬০০ কোটি টাকা পরিশোধ, তবু উৎপাদন অনিশ্চিত
প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় প্রায় ৯০ কোটি টাকা আটকে রেখেছে পিডিবি। পিডিবির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো অর্থ ছাড় করা হবে না।
শাহজীবাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প ব্যবস্থাপক এ কে মফিজউদ্দিন আহমেদ জানান, ব্যবহৃত টারবাইন আন্তর্জাতিক মানের হলেও কেন বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে, তা বিশেষজ্ঞরা তদন্ত করে দেখছেন। বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে এবং প্রযুক্তিগত সমাধান খোঁজা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় প্রতিবেদনে পিডিবি কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের জুন নাগাদ কেন্দ্রটি আবার উৎপাদনে ফিরতে পারে।
৩৩০ মেগাওয়াট কেন্দ্র: অগ্নিকাণ্ডে চার বছর উৎপাদন বন্ধ
শাহজীবাজারের ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অবস্থাও দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় ছিল। প্রায় ২ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কেন্দ্রটি চালুর পরপরই একাধিক যান্ত্রিক সমস্যায় পড়ে। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ট্রান্সফরমার পুড়ে গেলে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
২০২২ সালের ২৯ মে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে শাহজীবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন লাগে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই ঘটনায় দুটি ট্রান্সফরমার পুড়ে যায় এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জের শাহজীবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন লাগার পর কেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয় বলেও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।
চার বছর পর আংশিক উৎপাদন, এখনো পূর্ণ সক্ষমতা দূরে
দীর্ঘ প্রায় চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৬ সালের মার্চে ৩৩০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি আংশিকভাবে উৎপাদনে ফিরেছে। দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের প্রায় চার বছর পর কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু করা হয়। বর্তমানে ১০০ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২৯ মে ট্রান্সমিশন লাইনের ট্রান্সফরমারে আগুন লাগার পর কেন্দ্রটির উৎপাদন ৪৮ মাস বন্ধ ছিল। পরে আংশিক উৎপাদন শুরু হয়।
শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, বর্তমানে একটি ইউনিট চালু থাকায় প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। তবে বাকি দুটি ইউনিট চালু করা গেলে প্রতিদিন আরও প্রায় ১৬ কোটি টাকার সাশ্রয় সম্ভব হতো। তার ভাষ্য, পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়বে এবং তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে।
ক্ষতির হিসাব নিয়ে প্রশ্ন, তবু সংকট স্পষ্ট
সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, ৩৩০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় গত চার বছরে সম্ভাব্য প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার। অপরদিকে ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে সরকারের ক্ষতির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ক্ষতির হিসাব নির্ধারণে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা জরুরি। কেন্দ্রটি চালু থাকলে কত ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো, সেই বিদ্যুতের পরিবর্তে জাতীয় গ্রিডে কোন উৎসের বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে, গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি কেমন ছিল, এবং বিকল্প বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় কত ছিল-এসব বিষয় না মিলিয়ে চূড়ান্ত ক্ষতির অঙ্ক নির্ধারণ কঠিন। তাই সরকারি অডিট বা পিডিবির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন ছাড়া ৪০ হাজার কোটি টাকার অঙ্ককে সংশ্লিষ্টদের হিসাব বা দাবি হিসেবেই দেখা উচিত।
তারপরও বাস্তবতা হলো, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘদিন পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ দিতে পারেনি। এর প্রভাব পড়েছে জাতীয় গ্রিড, জ্বালানি ব্যয়, শিল্পাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায়।
স্থানীয় শিল্পাঞ্চলেও প্রভাব
শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি হবিগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত। মাধবপুর ও আশপাশের এলাকায় শিল্পকারখানা, চা-বাগান, গ্যাসক্ষেত্র ও উৎপাদনমুখী নানা কার্যক্রম রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু থাকলে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হতে পারত। ইত্তেফাকের ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৩৩০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি ১৪ মাস বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পমালিকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।
দ্রুত সমাধান না হলে ক্ষতি আরও বাড়বে
বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শাহজীবাজারের মতো বড় প্রকল্প দীর্ঘদিন অচল থাকলে শুধু উৎপাদন ক্ষতি নয়, যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়া, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, চুক্তিগত জটিলতা, বৈদেশিক বিশেষজ্ঞ নির্ভরতা এবং আর্থিক দায়ও বাড়তে থাকে। বিশেষ করে ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটির ক্ষেত্রে বারবার একই ধরনের টারবাইন ব্লেড ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রযুক্তিগত নিরীক্ষা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়, ওয়ারেন্টি, আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং পিডিবির প্রকল্প ব্যবস্থাপনা-সবই নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
অন্যদিকে ৩৩০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি আংশিক উৎপাদনে ফিরলেও পূর্ণ সক্ষমতায় যেতে না পারলে দৈনিক সাশ্রয়ের বড় অংশ হাতছাড়া হবে। তাই বাকি ইউনিটগুলো দ্রুত চালু করা, ক্ষতিগ্রস্ত ট্রান্সফরমার ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশের স্থায়ী সমাধান, এবং ভবিষ্যৎ দুর্ঘটনা ঠেকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংকট এখন শুধু একটি প্রকল্পের যান্ত্রিক ব্যর্থতা নয়; এটি বিদ্যুৎ খাতের প্রকল্প বাস্তবায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, কারিগরি সক্ষমতা ও জবাবদিহির বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে। ৮৯০ কোটি টাকার ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি ছয় বছরেও স্থায়ীভাবে উৎপাদনে যেতে পারেনি। ২ হাজার ৮০৯ কোটি টাকার ৩৩০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি অগ্নিকাণ্ডের পর প্রায় চার বছর বন্ধ থেকে এখন আংশিক উৎপাদনে ফিরেছে। কিন্তু পূর্ণ সক্ষমতা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রতিদিন প্রায় ১৮ কোটি টাকার সম্ভাব্য ক্ষতি বা সাশ্রয় হাতছাড়া হচ্ছে। এই দাবি যাচাইয়ে পূর্ণাঙ্গ সরকারি তদন্ত ও আর্থিক নিরীক্ষা প্রয়োজন। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট-দুটি কেন্দ্র দ্রুত পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা না গেলে জাতীয় গ্রিড, সরকারি অর্থনীতি এবং জ্বালানি খাতে চাপ আরও বাড়তে পারে।