{{ news.section.title }}
আরও ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে চট্টগ্রামের পথে এমটি নিনেমিয়া
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে বাংলাদেশের পথে রয়েছে ট্যাংকার জাহাজ এমটি নিনেমিয়া। জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আমদানি করা এই তেল দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত শোধনাগারে পরিশোধন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাহাজটি বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বর্তমানে এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেল নিয়ে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
জাহাজটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফুজাইরাহ বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করা এমটি নিনেমিয়া নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমটি নিনেমিয়ার মাধ্যমে এটি দ্বিতীয়বারের মতো স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল দেশে আসছে। এর আগে গত ৬ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছেছিল।
দুই মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে আবারও একই পরিমাণ তেল নিয়ে জাহাজটির আগমন দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেই এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে এমটি ফসিল নামের আরেকটি জাহাজ বাংলাদেশে আসে। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে অপরিশোধিত তেল আমদানি অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের আমদানি করা এসব তেল পরিশোধনের দায়িত্ব পালন করছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড। চট্টগ্রামে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠান দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়মিত তেল আমদানির ফলে শোধনাগারের উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন যাতে না ঘটে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় মজুত ও আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামার মধ্যেও দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সরকার নিয়মিতভাবে অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং পরিবহন ব্যবস্থায় জ্বালানির স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে এসব আমদানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।