{{ news.section.title }}
রান্নাঘরের ১০ উপাদানেই চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
চুল পড়া একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। নির্দিষ্ট সময় পর পুরোনো চুল ঝরে গিয়ে নতুন চুল গজায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক হারে চুল পড়ার প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশদূষণ, ভেজাল প্রসাধনী, মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাপন এর পেছনে বড় কারণ। ব্যয়বহুল হেয়ার ট্রিটমেন্ট সবার পক্ষে সম্ভব না হলেও ঘরোয়া সমাধান হিসেবে রান্নাঘরের কিছু উপাদান নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
পেঁয়াজের রস চুলের জন্য বেশ কার্যকর। এতে থাকা সালফার মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং চুলের ফলিকলকে মজবুত করে। একইভাবে অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর জেল মাথার তালুতে লাগালে প্রদাহ কমে এবং চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।
কুসুম গরম নারকেল তেল দিয়ে নিয়মিত মাথার তালুতে মালিশ করলে চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছায়। এতে চুলের গুটিকা শক্তিশালী হয় এবং ভাঙন কমে। প্রোটিন ও বায়োটিনসমৃদ্ধ ডিম চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ডিমের সঙ্গে টক দই বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে চুলের উজ্জ্বলতা ও শক্তি বাড়ে।
টক দইয়ে থাকা প্রোটিন মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। মেথি পানিতে ভিজিয়ে পেস্ট করে ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে। গ্রিন–টিতে থাকা অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট চুল পড়ার জন্য দায়ী ডিএইচটি হরমোনের কার্যকারিতা কমাতে সাহায্য করে।
ক্যাস্টর অয়েল চুলের বৃদ্ধি বাড়ালেও এটি ঘন হওয়ায় নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। জবা ফুল ও পাতার পেস্ট চুলকে মজবুত করে এবং দ্রুত লম্বা হতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্টে ভরপুর আমলকী চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে, চুল পড়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সহায়ক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব উপাদান নিয়মিত ও সঠিকভাবে ব্যবহার করলে চুলের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য অনেকটাই ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন অতিরিক্ত চুল পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও জরুরি।