{{ news.section.title }}
মোদীর সংবিধান সংশোধনী বিল ব্যর্থ
মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভায় আসনবৃদ্ধি সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় ভোটাভুটিতে পাশ করাতে পারল না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। দু’দিনের বিতর্কপর্ব শেষে শুক্রবার বিকেলে বিল নিয়ে ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট। বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোটাভুটিতে যোগ দেন। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিল পাশের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। তা পেতে ব্যর্থ হয়েছে মোদী সরকার।
মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভায় আসনবৃদ্ধি সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় ভোটাভুটিতে পাশ করাতে পারল না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। দু’দিনের বিতর্কপর্ব শেষে শুক্রবার বিকেলে বিল নিয়ে ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট। বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোটাভুটিতে যোগ দেন। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিল পাশের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। তা পেতে ব্যর্থ হয়েছে মোদী সরকার।
বিরোধীদের ‘মুড’ আঁচ করে ভোটাভুটির আগে সরকারপক্ষের শেষ বক্তা অমিত শাহ সরাসরি বিরোধীদের ‘মহিলা বিরোধী’ বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সঙ্গে জনসংখ্যা বৃদ্ধির যুক্তি দিয়ে সাংসদ সংখ্যা বাড়ানোর জন্য জোরদার সওয়ালও করেন। শাহ বলেন, ‘‘এমন লোকসভা আসন আছে, যেখানে ভোটারের সংখ্যা ৪৮ লক্ষ। কী ভাবে সেখানকার সাংসদ ভোটদাতাদের প্রত্যাশা পূরণ করবেন?’’ বিরোধীদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের উপর ভরসা রাখুন। বিল পাশ করতে দিন।’’ কিন্তু শাহের আবেদন সত্ত্বেও সরকারপক্ষের রাজনৈতিক কৌশল আঁচ করে অবস্থানে অনড় থাকেন বিজেপিবিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সাংসদরা। ধৈর্যচ্যুত শাহ একসময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করতে গিয়ে কংগ্রেসের বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধীর উচিত সংসদে কী ভাবে কথা বলতে হয়, তা তাঁর বোন প্রিয়ঙ্কার থেকে শেখা।’’
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া সংসদের তিন দিনের বিশেষ অধিবেশনে তিনটি বিল পাশ করাতে সক্রিয় ছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের পেশ করা তিনটি বিলের প্রথমটি- লোকসভা এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভায় মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল ( পোশাকি নাম, ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’। লোকসভার সাংসদ সংখ্যা বাড়িয়ে ৮৫০ করার বিষয়টি এরই অন্তর্গত), দ্বিতীয়টি- লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) সংক্রান্ত বিল। তৃতীয়টি- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আসনবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে)। প্রথম বিলটি পাশ না হওয়ায়, পরের দু’টি নিয়ে ভোটাভুটির পথে হাঁটেনি কেন্দ্র।
সূত্রঃ আনন্দবাজার