{{ news.section.title }}
আজানের দোয়া
আযানের পর পাঠ করার দোয়াটি হলো: "আল্লাহুম্মা রব্বা হাজিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাতি, ওয়াস স্বলাতিল ক্বায়িমাহ, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলাহ, ওয়াব'আছহু মাক্বামাম মাহমুদানিল্লাজি ওয়া'আত্তাহু"। এই দুআটি নবীজী (সা.)-এর শাফায়াত পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আজানের পর যে দোয়াটি পড়তে হয়, তা নিচে দেওয়া হলো:
আজানের দোয়া (আরবি)
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ، [إِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَاد]
বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা রব্বা হাযিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাতি ওয়াস সলাতিল কায়িমাতি, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলাতা, ওয়াবআসহু মাক্বামাম মাহমূদানিল্লাযি ওয়াআত্তাহ, [ইন্নাকা লা তুখলিফুল মীআদ]
অর্থ
"হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের (নামাজের) আপনিই প্রভু। মুহাম্মদ (সা.)-কে ওয়াসিলা (জান্নাতের একটি মর্যাদা) ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করুন এবং তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে (মাকামে মাহমুদ) পৌঁছে দিন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন। [নিশ্চয়ই আপনি প্রতিশ্রুতির খেলাফ করেন না]"
আজান শোনার আদব ও নিয়ম:
উত্তর দেওয়া: মুয়াজ্জিন যা বলেন, তা-ই পুনরাবৃত্তি করা। তবে 'হায়া আলাস সালাহ' ও 'হায়া আলাল ফালাহ' বলার সময় বলতে হয়— 'লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ'। ফজরের আজানে 'আস-স্বলাতু খইরুম মিনান নাওম' শুনলে বলতে হয়, 'সাদাক্বতা ওয়া বারারতা'।
দরুদ পাঠ: আজান শেষ হলে প্রথমে নবিজির (সা.) ওপর দরুদ পাঠ করতে হয় এবং এরপর ওপরের দোয়াটি পড়তে হয়।
ফজিলত: যে ব্যক্তি আজান শুনে এই দোয়া পড়বে, কিয়ামতের দিন নবিজি (সা.) তার জন্য সুপারিশ করবেন (সহিহ বুখারি)।
সহীহ হাদিস অনুযায়ী, আযানের পর এই দুআ পাঠকারীর জন্য নবীজী (সা.)-এর সুপারিশ (শাফায়াত) অবধারিত হয়ে যায়।