{{ news.section.title }}
জুনের ২১ দিনেই এলো ২০৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা নিয়ে অব্যাহত রয়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি জুন মাসের প্রথম ২১ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২০৮ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয়।
সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে এসেছে ২০৮ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ৯ কোটি ৯২ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ১৯৯ কোটি ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২১ জুন পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৪৮৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
মাসভিত্তিক হিসাবেও চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল বেশ শক্তিশালী। গত মার্চ মাসে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রাপ্তির রেকর্ড।
এছাড়া মে মাসে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স। এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।
অন্যদিকে জানুয়ারিতে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে আসে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
গত বছরের শেষ ভাগেও প্রবাসী আয় ছিল শক্তিশালী। ডিসেম্বরে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার।