{{ news.section.title }}
ঈদে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরা সহজ করতে জাকসুর বিশেষ বাসসেবা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরা সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বিশেষ বাসসেবার উদ্যোগ নিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)। এ উদ্যোগের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে সরাসরি বাসযোগে যাতায়াত করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, গত বছরের দুর্গাপূজা এবং চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে নেওয়া পরিবহন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবার পবিত্র ঈদুল আজহাতেও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে জাকসু। বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় সমিতির সহযোগিতায় ক্যাম্পাস থেকে বরিশাল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, খুলনা ও নোয়াখালী রুটে বিশেষ বাসসেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু জনপ্রিয় দূরপাল্লার রুটেও অতিরিক্ত বাস যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যাতে ভিড় কমে এবং শিক্ষার্থীরা স্বস্তিতে যাত্রা করতে পারেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের সময় গণপরিবহনে অতিরিক্ত চাপ, টিকিট সংকট এবং যাত্রাপথের নানা ভোগান্তির কথা বিবেচনায় এনে শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সহজে ও নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। এছাড়া যাত্রাপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়সূচি ও তত্ত্বাবধানে বাস চলাচল করবে বলে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দলও দায়িত্ব পালন করবে।
এ বিষয়ে জাকসুর পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক মো. তানভীর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত ও ভ্রমণবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাকসু নিরলসভাবে কাজ করছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঈদযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক করতে আমরা এই বাসসেবার উদ্যোগ নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ক্যাম্পাস থেকে বিভাগীয় শহর পর্যন্ত সরাসরি বাসসেবার ধারণা চালু করেছে। শিক্ষার্থীরা হল থেকে বের হয়েই নিজ জেলার বাসে উঠতে পারছে-এটি আমাদের জন্য বড় সাফল্য।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত করার কথা ভাবছে বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, জাকসুর এই উদ্যোগ ঈদের বাড়ি ফেরার যাত্রাকে যেমন সহজ করবে, তেমনি সময় ও খরচও অনেকাংশে কমিয়ে আনবে। পাশাপাশি দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার ঝামেলা থেকেও মুক্তি মিলবে। অনেকেই মনে করছেন, এমন উদ্যোগ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একটি ভালো উদাহরণ হতে পারে।