{{ news.section.title }}
স্বর্ণের সঙ্গে কমল রুপার দামও, ভরি কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের পাশাপাশি আরও এক দফা কমানো হয়েছে রুপার দাম। স্থানীয় বাজারে খাঁটি (তেজাবি) রুপার মূল্য হ্রাস পাওয়ায় নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি রুপার দাম সর্বোচ্চ ৪০৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য শনিবার (৬ জুন) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং দেশীয় বাজারে কাঁচা রুপার দামের পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, যা আগের তুলনায় ৪০৮ টাকা কম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম প্রতি ভরি ৩ হাজার ২০৮ টাকা।
এর আগে গত ২ জুন রুপার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বিক্রি হয়।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম মোট ৫২৫ টাকা কমেছে। এতে গহনা ক্রেতা, ব্যবসায়ী এবং শিল্পকারখানায় রুপা ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রুপার দাম সাধারণত আন্তর্জাতিক মূল্য, ডলারের বিনিময় হার, শিল্পখাতে চাহিদা এবং দেশীয় কাঁচামালের সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ওঠানামা করে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কিছুটা নরম হওয়ায় তার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৪২ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ বার দাম বেড়েছে এবং ২০ বার কমেছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বৃদ্ধি এবং মাত্র ৩ বার দাম হ্রাস পেয়েছিল।
এদিকে একই দিনে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামও কমিয়েছে বাজুস। ফলে মূল্যবান ধাতুর বাজারে টানা কয়েক দিনের দরপতন ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণ ও রুপার দামে আবারও পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।