{{ news.section.title }}
ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার যুবদল নেতা, দল থেকে বহিষ্কার
পাবনার আতাইকুলায় এক স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবদল নেতা আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) ভোরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আতাইকুলা থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার আবুল কাশেম পাবনার আতাইকুলা থানার আড়িয়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত নিজামুদ্দিন শেখের ছেলে। তিনি আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কয়েকদিন ধরে অভিযান চালাচ্ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর শাহজাদপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
ওসি বলেন, রাতভর অভিযান পরিচালনার পর ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ জুন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
পরদিন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে আতাইকুলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবুল কাশেমকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১৪ জুন) অভিযুক্তের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের একাংশ এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভও করেন বলে জানা গেছে।
এদিকে অভিযোগ ওঠার পর যুবদলও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রোববার রাতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি একতাশামুল হক রাজিব এবং সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল সরদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আবুল কাশেমকে দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।