দেশব্যাপী ধর্ষণ ও সংসদে হিজাব নিয়ে কটাক্ষের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

দেশব্যাপী ধর্ষণ ও সংসদে হিজাব নিয়ে কটাক্ষের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ
ছবির ক্যাপশান, ছবি: জাগরণ

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নারী সংসদ সদস্যদের হিজাব-নিকাব নিয়ে কটাক্ষ ও দেশব্যাপী অব্যাহত ধর্ষণের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে এসে সমবেত হয়। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে তারা।

বিক্ষোভ মিছিলে তাদের “ধর্ষক আর চাঁদাবাজ- মিলেমিশে একাকার; হিজাব নিকাব বিদ্বেষ- রুখে দাও বাংলাদেশ; ধর্ষকদের ঠিকানা- এই বাংলায় হবেনা; বিএনপির অনেক গুণ- ১০০ দিনে ৬০০ খুন; ; হিজাব নারীর অধিকার- কেড়ে নেয়ার সাধ্য কার; বোনের, মায়ের মর্যাদা- হিজাব, নিকাব, বোরকা; হিজাব নিয়ে পুড়লে গা- বাংলা ছেড়ে দিল্লি যা” ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। 

 

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ইবি ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “গতদিন সংসদ অধিবেশনে মনিরুল হক চৌধুরী নামে একজন কুলাঙ্গার আমাদের বোনদের হিজাব-নিকাব নিয়ে কটুক্তি করেছে। নিকাবের ভেতরে স্ত্রী বদল করা যায় বলে মন্তব্য করেছে । আমরা স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই তার এ উদ্ধতপূর্ণ বক্তব্যের জন্য বাংলাদেশের জনগণের কাছে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। শুধু ক্ষমা চাইলে হবে না। যারা ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবে, যারা মুসলমানদের অন্তরে আঘাত হানবে তাদের বিরুদ্ধে সংসদে একটি স্থায়ী আইন পাস করতে হবে। আমরা এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেবো না।

 

এসময় তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ইসলামবিদ্বেষিতার মহা উৎসব চলছে। তাদের মাঝে হয়তো এমন কিছু চলছে- যে যত ইসলামবিদ্বেষীতা ছড়াতে পারবে তার পদ  তত বড় হবে। আমাদের কাছে মনে হয় এটা তাদের আভ্যন্তরীণ দলীয় সিদ্ধান্ত। এমনটি হয়ে থাকলে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সাহাবীদের এ পণ্যভূমিতে ইসলাম বিদ্বেষিতার কোন ঠাঁই হবে না। ইসলামবিদ্বেষীদের এ দেশ থেকে উৎখাত করতে হবে।


ইসলামী ব্যাংক নিয়ে শিবির সভাপতি বলেন, ইসলামী ব্যাংক যখন এদেশের কোটি জনতার আস্থার প্রতিক হয়ে উঠেছে, তখন তারা ইসলামী ব্যাংক বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ইসলামী অনুশাসন মেনে যে চিকিৎসা করা যায় তা আদ-দ্বীন হাসপাতাল দেখিয়েছে। যে ৬ জন শিশু নিহত হয়েছে, সেটার জন্য আমরা শাস্তি দাবি করছি কিন্তু এর জন্য হাসপাতাল বন্ধ হতে পারে না।  এটা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে তারা ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে।


সম্পর্কিত নিউজ