{{ news.section.title }}
ভিপি-জিএস ছাড়া সাক্ষাৎ নয়, অভিযোগ তুলে ডাকসুর অধিকাংশ পদ বাতিলের দাবি সর্ব মিত্রের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ডাকসুর অধিকাংশ পদ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ডাকসুর সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।
রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ-২’ নামের একটি গ্রুপে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন। তার দাবি, গত এক সপ্তাহ ধরে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চাইলেও তিনি কোনো সাক্ষাৎ পাননি।
ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমা লেখেন, একটি শিক্ষার্থী ইন্স্যুরেন্স সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি গত সপ্তাহ থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট চেয়ে আসছেন। তবে উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) তাকে জানিয়েছেন, উপাচার্য ভিপি ও জিএস ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। সাক্ষাৎ করতে হলে তার সঙ্গে ভিপি অথবা জিএসকে নিয়ে যেতে হবে।
এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ডাকসুর একজন সদস্যও ভিপি বা জিএসের মতোই শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি। তাই একজন সদস্যের সঙ্গে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, যদি বাস্তবে ভিপি, জিএস এবং এজিএস ছাড়া অন্য পদধারীদের কোনো কার্যকর ভূমিকা বা মর্যাদা না থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে ডাকসু নির্বাচনে শুধু এই তিনটি পদ রাখা যেতে পারে। বাকি সম্পাদক ও সদস্য পদ বাতিল করার বিষয়ও বিবেচনা করা উচিত।
সর্ব মিত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি উপাচার্যের পিএসকে জানিয়েছেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থীরও যৌক্তিক দাবি নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময় যৌক্তিক বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে ডাকসু প্রতিনিধি কিংবা হল সংসদের পদধারী হওয়ার প্রয়োজন হতো না।
তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বিষয়টি নিয়ে মতামত প্রকাশ করছেন। কেউ কেউ নির্বাচিত সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, আবার কেউ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করছেন।
তবে এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা উপাচার্যের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।