{{ news.section.title }}
সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন নতুন করে সিট দখলের পাঁয়তারা শুরু করেছে: রাবি ছাত্রশিবির সভাপতি
সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল নতুন করে হল দখল, শিক্ষার্থীদের কাছে চাঁদা দাবি এবং গেস্টরুম কালচার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে আয়োজিত ছাত্রদলের অবৈধভাবে হল দখলের বিরুদ্ধে এক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করার মধ্য দিয়ে হল দখল, সিট-বাণিজ্য ও গেস্টরুম কালচারের অবসান ঘটেছে। নতুন করে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আবারও হল দখলের পাঁয়তারা শুরু করেছে। তারা পুনরায় গেস্টরুম কালচার চালু এবং শিক্ষার্থীদের কাছে চাঁদাবাজির চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ছাত্রদলের নেতাদের ছাত্রজীবন শেষ হওয়ার এক থেকে দেড় বছর পরও তাদের সিট কর্তন করা হচ্ছে না। প্রত্যেক হলে ছাত্রদলের চিহ্নিত পদধারী নেতারা অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। এ কাজে হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সহযোগিতা করছে।
ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, আপনারা যদি গেস্টরুম কালচার, সিট-বাণিজ্য ও হল দখলের রাজনীতি করতে চান, তাহলে আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিচ্ছি-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য ইসলামি ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ছাত্রসংগঠন বা নেতাকে সিট-বাণিজ্যের আড়তদারি কিংবা হল দখলের মহাজনগিরি করতে দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী যদি দলীয় দাসে পরিণত হওয়া হল প্রভোস্টরা একের পর এক দলীয় নেতাদের হলে সিট দিতে থাকেন, তাহলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলনে নামবে।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, হল সকল শিক্ষার্থীর মৌলিক অধিকার। একজন শিক্ষার্থী সিনিয়র হয়ে মাস্টার্সে উঠেও সিট পাচ্ছেন না। অথচ মাস্টার্স শেষ হওয়ার পরও ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের পরিচয়ে অনেকে হলে অবস্থান করছেন। এর প্রতিবাদে আমরা বিবৃতি দিলে তারা স্পষ্ট প্রমাণ দিতে বলে। অথচ হলে যারা অবৈধভাবে অবস্থান করছেন, তাদের সুস্পষ্ট প্রমাণ দেওয়ার পরও তারা তা অস্বীকার করে মিথ্যাচার করছে। আমরা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের হল, অনুষদ ও বিভিন্ন বিভাগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।