{{ news.section.title }}
লোকজ ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় ইবিতে নববর্ষ উদযাপন
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও প্রাণবন্ত আয়োজনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। লোকজ ঐতিহ্যের ছোঁয়া আর বর্ণিল আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা, প্রতীকী মোটিফ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় নববর্ষের দ্বিতীয় দিনে ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর আবহ, যেখানে ফুটে ওঠে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা রূপ।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবন থেকে একটি বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় গিয়ে শেষ হয়। পরে আম বাগানে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা নানান প্রতীকী উপকরণ ও শিল্পকর্ম পুরো আয়োজনকে করে তোলে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়। মোরগ, হাতি, পায়রা, পেঁচা, টেপা পুতুল, ঘোড়া, টমটম গাড়ি ও দোতারা—এসব বৈচিত্র্যময় মোটিফ ও পটচিত্রে ফুটে ওঠে বাঙালির ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
বৈশাখী শোভাযাত্রা নিয়ে শিক্ষার্থীর বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ। এমন আয়োজন আমাদের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ ধরনের আয়োজন আমাদের সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
আরো পড়ুন : ‘ন্যাচারাল প্রোডাক্ট রিসার্চ’ নিয়ে ইবিতে আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বৈশাখ আসে পুরনোকে ঝেড়ে ফেলে নতুনকে জাগ্রত করার জন্য। এইজন্যে আমরা বৈশাখে নব আনন্দে উদ্বেলিত হই। বর্ষবরণ বাঙালি সংস্কৃতির সাথে অবিচ্ছদ্যভাবে জড়িত, অবহমানকাল ধরে তা চলে আসছে।
তিনি আরো বলেন, বৈশাখকে আমরা আমাদের জীবন থেকে মুছে দিতে পারব না। বাংলাদেশে এমন কোনো কবি নেই, যার কবিতায় বৈশাখ না-এসেছে। আমরা সবাই নতুন আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নতুনের পতাকায় শামিল হবো । বৈশাখ আমাদের হৃদয়ে নতুন জীবনের বাঁশি বাজায়, আমাদের স্বপ্ন-সাধকে জাগ্রত করে।