{{ news.section.title }}
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদ, হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল-“আমার ভাই মার খায়, প্রশাসন ঘুমায়”, “বাহ প্রশাসন চমৎকার, সিন্ডিকেটের পাহাদার”, “এক কলে জেলে যায়, আরেক কলে বের হয়”, “সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও”, “চবিয়ানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করো, করতে হবে”।
সমাবেশে বক্তব্য দেন চবি শিবিরের প্রচার সম্পাদক এবং চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা। তিনি বলেন, “গতকাল আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর বিনা উস্কানিতে অতর্কিত হামলা করা হয়েছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। বিশেষ করে, ২৫ সালের ৩১ আগস্ট এই এলাকার সন্ত্রাসীদের দ্বারা ক্যাম্পাসের প্রায় সাড়ে ৪০০ শিক্ষার্থী আহত হয়।”
উপাচার্যকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “হামলার আসামিরা আপনার সাথে মুলাকাত করেছে। আপনি যদি জোবরার ভিসি হতে চান, তাহলে আপনাকে সেখানে আরেকটি প্রশাসন তৈরি করে থাকতে হবে। আর যদি শিক্ষার্থীদের ভিসি হতে চান, তাহলে জোবরার সিন্ডিকেট ভেঙে দেন। ক্যাম্পাসকে নিরাপদ করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেন। আমাদের দাবি ছিল ১নং গেটে একটি পুলিশ বক্স স্থাপন করতে হবে; দেড় বছর পার হলেও এর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।”
চবি শাখা শিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কোনো মূল্য নাই। আমরা শুরু থেকেই নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি জানিয়ে আসছি। জিরো পয়েন্ট থেকে ১ নম্বর পর্যন্ত এই রাস্তাটা নিরাপদ নয়। এখানের কিছু সন্ত্রাসী বারবার আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করছে, যারা মাদকের শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।”
তিনি আরও বলেন, “আর একবারও যদি আমাদের কোনো শিক্ষার্থীর ওপর হামলা করা হয়, তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিবির দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এবং জোবরার এই সিন্ডিকেট আমরা ভেঙে দেব।”
এর আগে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলক্রসিং এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাংবাদিকসহ চার শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। পরে রাতেই চাকসুর সহযোগিতায় ভুক্তভোগীরা হাটহাজারী থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার ২ নম্বর আসামি মো. শফিক এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।