{{ news.section.title }}
১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের
দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী করতে বড় নিয়োগ পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী এক বছরের মধ্যে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে ধাত্রীবিদ্যায় দক্ষ ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সরকার।
রোববার (২১ জুন) পর্তুগালের লিসবন সফর শেষে দেশে ফিরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
হায়দার বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন ও গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে নতুন জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার আরো জানান, আগামী এক বছরে নিয়োগ পাওয়া ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। তাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আরও সহজে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
একই সঙ্গে মাতৃস্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে আগামী তিন বছরে ২৫ হাজার নতুন মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, শুধু নিয়োগ নয়, দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। নতুন মিডওয়াইফদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষ করে তোলা হবে।
স্বাস্থ্যখাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার একটি শক্তিশালী ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
এই নেটওয়ার্কের আওতায় দেশের বিদ্যমান কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি সেখানে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।
তিনি বলেন, “কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো যেভাবে আছে সেভাবেই চলবে। তবে মানুষের আরও কাছাকাছি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নতুন প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।”