{{ news.section.title }}
গ্রীষ্মে স্বস্তি দেবে আমের ৬ সতেজ পানীয়
গ্রীষ্মকাল মানেই রোদ, ঘাম, ক্লান্তি আর পানিশূন্যতার ঝুঁকি। এই সময় শরীরকে ঠান্ডা রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং হালকা পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া জরুরি। আর গরমের মৌসুমে যে ফলটি স্বাদ, ঘ্রাণ ও সতেজতার জন্য সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, সেটি হলো আম। মিষ্টি পাকা আম হোক কিংবা টক কাঁচা আম-দুই ধরনের আম দিয়েই তৈরি করা যায় নানা রকম পানীয়।
বাংলাদেশে গ্রীষ্মের সঙ্গে আমের সম্পর্ক অনেক পুরোনো। বাজারে হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি, গোপালভোগ, ফজলি বা বিভিন্ন জাতের আম আসতে শুরু করলেই ঘরে ঘরে তৈরি হয় আমের শরবত, লাচ্ছি, স্মুদি বা মিল্কশেক। শুধু স্বাদের জন্য নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও আমকে অনেকেই ফলের রাজা বলে থাকেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এক কাপ কাটা কাঁচা আমে প্রায় ৯৯ ক্যালরি, প্রায় ২৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, প্রায় ৩ গ্রাম আঁশ এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আমে প্রাকৃতিক চিনি থাকলেও এতে কোনো added sugar থাকে না, তাই পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি গ্রীষ্মের স্বাস্থ্যকর ফলের তালিকায় রাখা যায়।
তবে আম দিয়ে পানীয় বানানোর সময় বাড়তি চিনি, অতিরিক্ত আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক বা সিরাপ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এগুলো পানীয়কে সুস্বাদু করলেও ক্যালরি ও চিনির পরিমাণ অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই গরমে আমের পানীয় খেতে হলে স্বাদ ও স্বাস্থ্য-দুই দিকই মাথায় রাখা দরকার।
আম পান্না: কাঁচা আমের টক-মসলাদার সতেজতা
গরমে কাঁচা আম দিয়ে তৈরি সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়গুলোর একটি হলো আম পান্না। এটি মূলত কাঁচা আম সেদ্ধ বা পোড়ানো আমের পাল্প দিয়ে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে পুদিনা পাতা, ভাজা জিরার গুঁড়া, বিট লবণ বা কালো লবণ, সামান্য চিনি বা মধু এবং ঠান্ডা পানি মিশিয়ে তৈরি করা যায় দারুণ সতেজ পানীয়।
গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর ক্লান্ত হয়ে গেলে টক-মসলাদার আম পান্না মুখে স্বাদ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। কাঁচা আমের টক স্বাদ, পুদিনার ঠান্ডা ভাব এবং জিরার হালকা সুগন্ধ পানীয়টিকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
বানানোর সহজ উপায়:
কাঁচা আম সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে পাল্প বের করে নিন। ব্লেন্ডারে আমের পাল্প, পুদিনা পাতা, ভাজা জিরা, বিট লবণ, সামান্য চিনি ও ঠান্ডা পানি দিয়ে ব্লেন্ড করুন। চাইলে বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন।
স্বাস্থ্যকর টিপস:
যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, তারা বিট লবণ বা কালো লবণ কম ব্যবহার করবেন। চিনি না দিয়ে মধু বা খেজুরের সামান্য সিরাপ ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে সেটিও সীমিত পরিমাণে।
আমের লাচ্ছি: দই-আমের ক্রিমি পানীয়
আমের লাচ্ছি গরমের জন্য খুব জনপ্রিয় একটি পানীয়। পাকা আমের পাল্প, ঠান্ডা টক বা মিষ্টি দই, সামান্য এলাচ এবং বরফ দিয়ে তৈরি করা যায় ঘন, মোলায়েম ও তৃপ্তিদায়ক লাচ্ছি। এটি শুধু পানীয় নয়, অনেক সময় হালকা নাশতার বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়।
দইয়ের কারণে এই পানীয়টি ক্রিমি হয় এবং পাকা আমের মিষ্টতা এতে বাড়তি স্বাদ যোগ করে। তবে বাজারের মিষ্টি দই ব্যবহার করলে বাড়তি চিনি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ঘরে তৈরি টক দই ব্যবহার করলে খুব সামান্য চিনি বা মধু দেওয়া যেতে পারে।
বানানোর সহজ উপায়:
পাকা আমের পাল্প, ঠান্ডা দই, কয়েকটি বরফের টুকরো এবং সামান্য এলাচ গুঁড়া ব্লেন্ড করুন। গ্লাসে ঢেলে ওপরে কুচি পেস্তা, বাদাম বা সামান্য আমের টুকরো দিয়ে পরিবেশন করা যায়।
স্বাস্থ্যকর টিপস:
যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তারা ফুল-ফ্যাট দইয়ের বদলে টক দই বা লো-ফ্যাট দই ব্যবহার করতে পারেন। চিনি কম রাখলে পানীয়টি আরও স্বাস্থ্যসম্মত হবে।
আমের মোহিতো: পুদিনা, লেবু ও সোডার ঝাঁঝালো মিশ্রণ
যারা হালকা, বুদবুদে ও সতেজ পানীয় পছন্দ করেন, তাদের জন্য আমের মোহিতো ভালো একটি বিকল্প। এতে পাকা আমের পিউরি, পুদিনা পাতা, লেবুর রস, বরফ ও সোডা ব্যবহার করা হয়। গরম দুপুরে বা বিকেলের নাশতার সঙ্গে এই পানীয়টি বেশ মানানসই।
আমের মিষ্টতা, লেবুর টক স্বাদ এবং পুদিনার ঠান্ডা ঘ্রাণ একসঙ্গে মিলে পানীয়টিকে খুবই সতেজ করে তোলে। তবে বাজারের সফট ড্রিংক বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত সোডা ব্যবহার না করে সাধারণ soda water ব্যবহার করাই ভালো।
বানানোর সহজ উপায়:
গ্লাসে পুদিনা পাতা, লেবুর রস ও সামান্য চিনি বা মধু হালকা চেপে মিশিয়ে নিন। এরপর আমের পিউরি, বরফ এবং সোডা পানি যোগ করুন। ভালোভাবে নেড়ে ঠান্ডা পরিবেশন করুন।
স্বাস্থ্যকর টিপস:
চিনি ছাড়া বানাতে চাইলে খুব পাকা মিষ্টি আম ব্যবহার করুন। এতে আলাদা মিষ্টি যোগ করার প্রয়োজন কমে যাবে।
আমের স্মুদি: সকালের নাস্তা বা ব্যায়ামের পর উপযোগী
আমের স্মুদি হলো পুষ্টিকর ও পেট ভরানো পানীয়। পাকা আমের টুকরো, দুধ বা দই, বরফ এবং চাইলে কলা বা ওটস মিশিয়ে এটি তৈরি করা যায়। সকালে সময় কম থাকলে দ্রুত নাশতার বিকল্প হিসেবে আমের স্মুদি ভালো কাজ করতে পারে।
আমে আঁশ থাকে, যা হজমে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে ভিটামিন সি ও প্রাকৃতিক ফলের মিষ্টতা থাকায় এটি গরমের দিনে শরীরকে সতেজ অনুভূতি দেয়। আমের পুষ্টিগুণ নিয়ে সাম্প্রতিক পর্যালোচনাধর্মী গবেষণাগুলোতেও আমকে ভিটামিন, খনিজ ও উদ্ভিজ্জ উপাদানে সমৃদ্ধ ফল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এগুলো সাধারণ পুষ্টিগত সুবিধা, কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে আমকে বিবেচনা করা যাবে না।
বানানোর সহজ উপায়:
পাকা আম, ঠান্ডা দুধ বা দই, কয়েকটি বরফের টুকরো এবং চাইলে অল্প ওটস ব্লেন্ড করুন। ঘন করতে চাইলে কলা যোগ করা যায়। তবে কলা দিলে পানীয়টি আরও ভারী হয়ে যাবে।
স্বাস্থ্যকর টিপস:
জিম বা ব্যায়ামের পর খেতে চাইলে দই, দুধ বা সামান্য বাদাম যোগ করলে প্রোটিনের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে। ডায়াবেটিস থাকলে আমের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং চিনি একেবারেই না দেওয়াই ভালো।
আমের স্কোয়াশ: আগে বানিয়ে রেখে পরে সহজে পরিবেশন
আমের স্কোয়াশ মূলত ঘন সিরাপজাতীয় পানীয় বেস। পাকা আমের পাল্প, চিনি, লেবুর রস এবং পানি দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। পরে প্রয়োজনমতো ঠান্ডা পানি বা বরফের সঙ্গে মিশিয়ে পান করা যায়। অতিথি আপ্যায়নে বা পরিবারের জন্য আগে থেকে প্রস্তুত রাখতে চাইলে আমের স্কোয়াশ সুবিধাজনক।
তবে স্কোয়াশে সাধারণত চিনি বেশি থাকে। তাই এটি প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে নয়, বরং মাঝে মাঝে খাওয়ার মতো পানীয় হিসেবে রাখা ভালো। শিশুদের ক্ষেত্রেও স্কোয়াশ কম পরিমাণে দেওয়া উচিত।
বানানোর সহজ উপায়:
পাকা আমের পাল্প ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। চিনি ও পানি দিয়ে হালকা সিরাপ তৈরি করে তাতে আমের পাল্প ও লেবুর রস মিশিয়ে কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। ঠান্ডা হলে পরিষ্কার বোতলে সংরক্ষণ করুন।
স্বাস্থ্যকর টিপস:
চিনি কম দিয়ে বানালে সংরক্ষণকাল কম হতে পারে। তাই কম চিনি ব্যবহার করলে ফ্রিজে রেখে দ্রুত খেয়ে ফেলা ভালো।
আমের মিল্কশেক: গ্লাসে ডেজার্টের স্বাদ
আমের মিল্কশেক সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় পানীয়গুলোর একটি। পাকা আম, ঠান্ডা দুধ, বরফ এবং চাইলে এক স্কুপ আইসক্রিম দিয়ে তৈরি করা হয় ঘন ও মিষ্টি মিল্কশেক। শিশু থেকে বড়-সব বয়সের মানুষের কাছে এটি জনপ্রিয়।
তবে মিল্কশেকের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালরি। পাকা আম নিজেই মিষ্টি, তাই বাড়তি চিনি না দিলেও মিল্কশেক সুস্বাদু হয়। আইসক্রিম দিলে স্বাদ বাড়ে, কিন্তু নিয়মিত খাওয়ার জন্য তা স্বাস্থ্যকর নয়।
বানানোর সহজ উপায়:
পাকা আমের পাল্প, ঠান্ডা দুধ ও বরফ ব্লেন্ড করুন। চাইলে সামান্য ভ্যানিলা এসেন্স বা এলাচ যোগ করা যায়। বিশেষ পরিবেশনায় এক স্কুপ আইসক্রিম দেওয়া যেতে পারে।
স্বাস্থ্যকর টিপস:
লো-ফ্যাট দুধ ব্যবহার করুন। চিনি বাদ দিন। আইসক্রিমের বদলে ঠান্ডা দই ব্যবহার করলে পানীয়টি কিছুটা স্বাস্থ্যকর হবে।
আরও কয়েকটি ভিন্নধর্মী আমের পানীয়
উপরের ছয়টি পানীয় ছাড়াও আম দিয়ে আরও কিছু সহজ রেসিপি তৈরি করা যায়। যেমন-আম-লেবুর শরবত, আম-নারকেল পানি, আম-চিয়া ড্রিংক, আম-টকদই কুলার কিংবা আম-শসা মিন্ট ড্রিংক।
আম-নারকেল পানি গরমের দিনে বেশ সতেজ লাগে। এতে পাকা আমের সামান্য পাল্পের সঙ্গে ঠান্ডা ডাবের পানি মিশিয়ে নেওয়া যায়। আম-চিয়া ড্রিংকে ভেজানো চিয়া সিড ব্যবহার করা যায়, যা পানীয়টিকে একটু ভিন্ন টেক্সচার দেয়। তবে চিয়া সিড খাওয়ার আগে ভালোভাবে ভিজিয়ে নেওয়া উচিত।
আম-শসা মিন্ট ড্রিংকও গরমে ভালো লাগে। পাকা আমের সঙ্গে শসা, পুদিনা, লেবুর রস ও ঠান্ডা পানি ব্লেন্ড করলে হালকা ও সতেজ পানীয় তৈরি হয়। যাদের খুব মিষ্টি পানীয় পছন্দ নয়, তাদের জন্য এটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
আমের পানীয় বানানোর সময় যে বিষয়গুলো মনে রাখবেন
প্রথমত, আম ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। ফল কাটার আগে হাত, ছুরি ও কাটিং বোর্ড পরিষ্কার রাখা জরুরি। কাটার পর আম দীর্ঘ সময় বাইরে রাখা উচিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি বলছে, কাটা ফল বা সবজি দ্রুত ফ্রিজে রাখতে হবে, সাধারণত দুই ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণ করা উচিত, আর খুব বেশি গরম পরিবেশে থাকলে এক ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখা ভালো।
দ্বিতীয়ত, পানীয়তে বরফ ব্যবহার করলে পরিষ্কার পানি দিয়ে তৈরি বরফ ব্যবহার করতে হবে। গরমে রাস্তার পাশের অনিরাপদ বরফ বা পানীয় থেকে পেটের সমস্যা হতে পারে।
তৃতীয়ত, আমের পানীয় যতটা সম্ভব fresh বানিয়ে খাওয়া ভালো। দুধ, দই বা কাটা ফল দিয়ে তৈরি পানীয় বেশি সময় বাইরে রাখা নিরাপদ নয়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী নারী বা দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের ক্ষেত্রে খাবারের নিরাপত্তা আরও গুরুত্বপূর্ণ।
চতুর্থত, আমের পানীয়তে চিনি কম রাখা উচিত। আমে প্রাকৃতিক মিষ্টতা থাকে। অতিরিক্ত চিনি, সিরাপ, আইসক্রিম বা কনডেন্সড মিল্ক যোগ করলে পানীয়টি দ্রুত উচ্চ ক্যালরির ডেজার্টে পরিণত হয়।
কারা সতর্ক থাকবেন
আম পুষ্টিকর ফল হলেও সবার জন্য একই পরিমাণে খাওয়া নিরাপদ নয়। ডায়াবেটিস রোগীদের আম খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। কারণ আমে প্রাকৃতিক চিনি আছে। আবার যাদের ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য আছে, তাদের মিল্কশেক, স্কোয়াশ বা আইসক্রিমযুক্ত পানীয় সীমিত রাখা উচিত।
যাদের দুধে অ্যালার্জি বা lactose intolerance আছে, তারা দুধের বদলে টক দই, lactose-free milk বা শুধু পানি/ডাবের পানি দিয়ে পানীয় বানাতে পারেন। শিশুদের জন্য আমের পানীয় বানালে চিনি না দেওয়া ভালো এবং খুব ঠান্ডা পানীয় না দেওয়াই নিরাপদ।
গরমে কোন পানীয় কখন খাওয়া ভালো?
সকালে হালকা নাশতার সঙ্গে আমের স্মুদি খাওয়া যেতে পারে। দুপুরের গরমে আম পান্না বা আম-লেবুর শরবত ভালো লাগতে পারে। বিকেলের নাশতার সঙ্গে আমের মোহিতো বা আম-শসা মিন্ট ড্রিংক মানানসই। আর বিশেষ আপ্যায়ন বা মিষ্টি কিছু খেতে চাইলে আমের লাচ্ছি বা মিল্কশেক বেছে নেওয়া যায়।
তবে প্রতিদিন সব ধরনের আমের পানীয় খাওয়ার দরকার নেই। গরমে পানির বিকল্প হিসেবে শুধু মিষ্টি পানীয় খেলে শরীরে বাড়তি চিনি যেতে পারে। তাই আমের পানীয়ের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি, ডাবের পানি, মৌসুমি ফল এবং হালকা খাবার খাওয়া উচিত।
গ্রীষ্মের আম শুধু ফল হিসেবে নয়, পানীয় হিসেবেও অসাধারণ। কাঁচা আমের পান্না থেকে শুরু করে পাকা আমের লাচ্ছি, স্মুদি, মোহিতো, স্কোয়াশ কিংবা মিল্কশেক, প্রতিটি পানীয়ের স্বাদ আলাদা, ব্যবহারও আলাদা। তবে স্বাস্থ্যকরভাবে উপভোগ করতে হলে চিনি কমানো, পরিষ্কার পানি ও নিরাপদ বরফ ব্যবহার করা, কাটা ফল দ্রুত সংরক্ষণ করা এবং নিজের শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রাখা জরুরি।