{{ news.section.title }}
দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যের সমাহারে ইবিতে ‘বাংলাদেশী উৎসব’ সম্পন্ন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ( ইবি) সামাজিক, সংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন অভয়ারণ্য'র উদ্যোগে ইবিতে তিন দিনব্যাপী 'বাংলাদেশী উৎসব-১৪৩৩' অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে স্টলে স্টলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা জেলার ছাত্রকল্যাণ সমিতি তাদের নিজ জেলার ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পসরা সাজিয়ে বসেন।
বুধবার (৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বটতলা প্রাঙ্গণ এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশের তৈরি হয়।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাংলাদের দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক তুলে ধরতে নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার ও দ্রবসামগ্রী সাজিয়ে বসেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা একই সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী খাবার ও সংস্কৃতি দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। স্টলের পাশাপাশি গ্রামবাংলার মেলার ঐতিহ্যে তুলে ধরতে দেখা যায় নাগরদোলা। পাশাপাশি দেখা যায় নাচ, গান, রম্য বিতর্কসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার ব্যবস্থা দেখা যায়।
এই উৎসবে উপলক্ষে বটতলা প্রাঙ্গনে -পাবনার জামাই আদর, গৌড়ের রসনা, ভৈরব তীরের মিষ্টি, রসমালাই ও ইলিশ বাড়ি, যমুনা, বনলতা বাড়ি, ম-এ ময়ময়সিংহ- ম-এ মন্ডা, লোকসংস্কৃতির নেত্রলোণা, সুন্দরবন, ই-ঝিয়ান, চমচমের দেশ রাজবাড়ী, হামাকে নওগা, বগুড়ার দই, ঢাকাইয়া হাট, নীলচাষী, গদখালি ফুলঘর-যশোর, হিমালয়ের কন্যা, হেল লাভারস্, নরসিংদী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি, বরিশাল ছাত্রকল্যাণ সমিতি, দিশারী বুক হাউজ, মেইড এই কুষ্টিয়া, ভাওয়াইয়া সুরে, চরের স্বাদে ও ঐতিহ্যের-কুড়িগ্রাম, চট্টগ্রাম জেলা জল্যাণ সমিতি, গাজীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, দিনাজপুর জেলা কল্যাণ সমিতি, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, জালালাবাদ (বৃহত্তর সিলেট বিভাগ) সহ বিভিন্ন মোট ৩৫ টি স্টল দেখা যায়।
উৎসবে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন, “এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক সুন্দর একটি আয়োজন। এখানে আমরা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলার প্রত্যেকটি বিখ্যাত খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করতে পারতেছি। আমার কাছে বিশেষ করে কুমিল্লা রসমালাই ও বগুড়ার দই খেতে খুব ভালো লেগেছে। ক্যাম্পাসে এমন একটি অনুষ্ঠান আমরা খুবই উপভোগ করতেছি। চারিপাশে প্রত্যেকটি জেলার প্রতিনিধি এবং ঐতিহ্য আমাদের খুবই মুগ্ধ করেছে। ”
অভয়ারণ্যে সভাপতি নাঈমুল ফারাবী বলেন, “আমাদের এই উৎসবের উদ্দেশ্য হলো, বাংলাদেশের জি আই পণ্যগুলোকে সকলের সামনে উপস্থাপন করা। এই উৎসব বাস্তবায়নে আমাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ক্যাম্পাসে জেলা ছাত্র কল্যাণ সংগঠনগুলো সহ অন্যান্য সামাজিক সংগঠনগুলো। এখানে প্রত্যেকটি জেলার যে সকল পণ্যগুলো সারাদেশে এক নামে পরিচিত সে সকল পণ্য নিয়ে এসে বিক্রি করছেন।”
তিনি আরও বলেন, “ আমাদের দেশে আমাদের পক্ষে প্রত্যেকটি জেলায় যাওয়া আমাদের সম্ভব হয় না। কিন্তু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বসে আমরা প্রত্যেকটি জেলার বিখ্যাত পণ্যগুলোর স্বাদ গ্রহণ করতে পারছি। এটি আমাদের জন্য অনেক বড় একটি অর্জন যা শিক্ষার্থীরা সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছেন। ”