জাবিতে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার ‎

জাবিতে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার ‎
ছবির ক্যাপশান, ছবি: জাগরণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইতিহাস বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ১২ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

‎শনিবার (৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

‎অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৩ জুলাই দিবাগত রাত ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত ইতিহাস বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের (৫৪তম ব্যাচ) কয়েকজন শিক্ষার্থী একই বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৫৫তম ব্যাচ) কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থীকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি, কান ধরানো এবং ‘ম্যানার শেখানোর’ নামে র‍্যাগিং করেন।

‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, ঘটনাটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৫(৬) ধারা লঙ্ঘনের শামিল। ওই ধারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিভাগ কিংবা ক্যাম্পাসের যেকোনো স্থানে টিজিং, র‍্যাগিং ও নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

‎এ ঘটনায় অভিযুক্ত ১২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জনকে জাবির  অধ্যাদেশের ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী  সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

‎সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- নাছিম উদ্দিন মজুমদার, মো. মাহফুজুর রহমান অন্ত, আব্দুল্লাহ মাহদী, শুভাশীষ রায়, মো. আবু আবতাহী অনিক, মো. রায়হান খান, মো. নাঈমুল হাসান, মো. ইসফাক হাদী, নাঈম আহমেদ সজিব, কার্তিক চন্দ্র রায়, কাজী শাহ জামশেদ আলম নাবিল এবং সাইফুল্লাহ মানসুর আনান।

‎এর আগে ভুক্তভোগী নবীন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তারা জানান, ‘ম্যানার শেখানোর’ কথা বলে গভীর রাতে তাদের মাঠে নিয়ে গিয়ে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হয় এবং র‍্যাগিংয়ের শিকার হতে হয়। অভিযোগের পর তদন্ত শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।


সম্পর্কিত নিউজ