ছাত্রদল নেতা তারিকের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাবির সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটে ফুটসাল টুর্নামেন্ট

ছাত্রদল নেতা তারিকের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাবির সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটে ফুটসাল টুর্নামেন্ট
ছবির ক্যাপশান, ছাত্রদল নেতা তারিকের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাবির সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটে ফুটসাল টুর্নামেন্ট

ঢাকা, ১৯ মে, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিকের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে আন্তঃব্যাচ ফুটসাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

টুর্নামেন্টের ফাইনালে ইনস্টিটিউটের ১৬তম ব্যাচকে ট্রাইবেকারে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৭তম ব্যাচ।


ইনস্টিটিউটের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ব্যাচের মোট সাতটি দল অংশ নেয়।


আজ মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হয় সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের ১৬ ও ১৭তম ব্যাচ। মাঠের লড়াইয়ে দুই দলই দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করায় নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র হয়। ট্রাইবেকারে ১৬তম ব্যাচকে ২-০ ব্যবধানে পরাজিত করে শিরোপা নিজেদের করে নেয় ১৭তম ব্যাচ।


খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্স-আপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মাহবুবা সুলতানা প্রধান অতিথি এবং ইনস্টিটিউটের ছাত্র উপদেষ্টা ড. শেখ তৌহিদুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন।


টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ১৭তম ব্যাচের রাকিবুজ্জামান রাতুল ফাইনাল ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় এবং একই ব্যাচের মাহমুদুল হাসান তানভীর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। এছাড়া ১৭তম ব্যাচের জালাল আহমেদ সেরা গোলকিপার এবং ১৬তম ব্যাচের মেহেদী হাসান তরু টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা নির্বাচিত হন।


এ আয়োজনের বিষয়ে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, ‘মাদকমুক্ত ও মেধাভিত্তিক ক্যাম্পাস গঠনে তরুণ সমাজকে মাঠমুখী করা আজ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনতে এবং ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে খেলাধুলায় আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে।’


তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে দারুণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের যেকোনো ইতিবাচক ও কল্যাণমুখী উদ্যোগে আমরা সবসময় পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।


সম্পর্কিত নিউজ