{{ news.section.title }}
৪৯তম বিশেষ বিসিএস: দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবি
৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের দ্রুততর নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের প্রায় সাত মাস অতিবাহিত হলেও এখনও চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়নি, যা দিনদিন উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে তুলছে।
দ্রুততম সময়ে সরকারি কলেজের শিক্ষক সংকট নিরসনে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় দেড়যুগ পর বিশেষ বিসিএস প্রস্তাব করা হয়। মনোনয়নপদ্ধতি অতিদ্রুত বাস্তবায়িত হলেও গেজেট প্রকাশে বিলম্ব দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হওয়াতে শিক্ষক সংকট নিরসনের পথ কেবলই প্রলম্বিত হচ্ছে।
৪৯তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল ২০২৫ সালের ২১ জুলাই। ৬৮৩টি পদের বিপরীতে মোট ৩ লাখ ১২ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেন। প্রতি পদের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৫৬ জনেরও বেশি। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছরের ১৯ অক্টোবর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১২১৯ জন প্রার্থী ভাইভার জন্য উত্তীর্ণ হন। মৌখিক পরীক্ষা শেষে ৬৬৮ জন প্রার্থীকে সুপারিশপ্রাপ্ত ঘোষণা করে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হলেও প্রার্থীরা এখনও গেজেটের জন্য অপেক্ষা করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুপারিশপ্রাপ্ত একজন ক্যাডার জানান, ৪৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর তিনি ২ টি সরকারি চাকরিতে যোগদান করেননি যাতে অন্য একজন চাকরিপ্রত্যাশী প্যানেলের মাধ্যমে সেখানে যোগদানের সুযোগ পান। কিন্তু অদৃষ্টের নির্মম পরিহাসে এখন তাঁকে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। ধারদেনা করে জীবন চলছে তাঁর।
সুপারিশপ্রাপ্ত আরেকজন ক্যাডার জানান, তাঁরা নিশ্চিত ছিলেন এবং সরকার থেকেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে অতিদ্রুত তাঁদের গেজেট প্রকাশিত হবে। গেজেট না হওয়াতে লজ্জায় তিনি আর বাড়িতেই যাননি এবার ঈদে।
একজন চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থী বলেন, 'সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর অনেকেই পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছেন, চাকরি ছেড়েছেন, কিংবা অন্য চাকরিতে সুযোগ পেয়েও যোগদান করেননি। এখন আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি অস্বস্তিকর ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যে আছি। এই মুহূর্তে আমাদের গেজেট প্রকাশিত হওয়াটা খুবই বেশি প্রয়োজনীয়।’