{{ news.section.title }}
ঈদযাত্রা শুরু, বুধবার থেকে মিলবে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা সহজ করতে অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামীকাল বুধবার (১৩ মে) থেকে অনলাইনে পাওয়া যাবে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ অগ্রিম টিকিট। প্রথম দিনে বিক্রি করা হবে ২৩ মে যাত্রার টিকিট।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাত্রীদের চাপ কমানো এবং টিকিট সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল করতে এবারও অঞ্চলভেদে আলাদা সময়ে টিকিট ছাড়া হবে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে দুপুর ২টা থেকে।
মঙ্গলবার (১২ মে) এ বিষয়ে একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের শুধুমাত্র রেলওয়ের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে টিকিট কেনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, টিকিট কেবল বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ‘রেল সেবা’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। কোনো ব্যক্তি, অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান কিংবা ফেসবুক পেজ থেকে টিকিট কেনাবেচা না করার জন্য বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, প্রতারণা এড়াতে অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অন্য কোথাও আর্থিক লেনদেন না করাই নিরাপদ। কারণ ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই অনলাইনে ভুয়া টিকিট বিক্রি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া যায়।
রেলের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ২৪ মে যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হবে ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে এবং ২৭ মে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে ১৭ মে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে টিকিট বিক্রির সময় বাড়তি সার্ভার সক্ষমতা রাখা হচ্ছে, যাতে অতিরিক্ত চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। গত কয়েক বছরে টিকিট সংগ্রহের সময় সার্ভার জটিলতা ও দীর্ঘ অপেক্ষার অভিযোগ থাকায় এবার প্রযুক্তিগত প্রস্তুতিতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা নিবন্ধিত তথ্য ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খুলে আগেভাগেই লগইন করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বুকিং সম্পন্ন করা সহজ হবে। প্রতিবারের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন রুটে যাত্রীচাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনামুখী ট্রেনগুলোতে টিকিটের চাহিদা বেশি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, কালোবাজারি ও টিকিট জালিয়াতি ঠেকাতে অনলাইনভিত্তিক বিক্রি ব্যবস্থাকে আরও কঠোরভাবে মনিটর করা হবে। একই সঙ্গে একজন যাত্রী নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি টিকিট কিনতে পারবেন না বলেও জানা গেছে।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ট্রেনের সময়সূচি, অতিরিক্ত কোচ সংযোজন এবং স্টেশন ব্যবস্থাপনাতেও বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।