{{ news.section.title }}
মানহানির ২ মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন মুফতি আমির হামজা
সিরাজগঞ্জে দায়ের করা পৃথক দুটি মানহানির মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন ইসলামি বক্তা ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। রোববার (১৪ জুন) সিরাজগঞ্জের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন।
সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের চৌহালী ও সদর আমলি আদালতে হাজির হয়ে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক সুমন কুমার কর্মকার দুটি মামলাতেই তার স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালত ও আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, আত্মসমর্পণের পর উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন। এর ফলে মামলাগুলো চলমান থাকলেও আপাতত গ্রেপ্তারের আশঙ্কা থেকে মুক্ত থাকছেন মুফতি আমির হামজা।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল একটি মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে নিয়মিত জামিনের আবেদন করেন।
মুফতি আমির হামজার আইনজীবী আবু তালেব এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবীর (কর্নেল) স্থায়ী জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রথম মামলাটি দায়ের করা হয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে মন্তব্যের অভিযোগে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, মুফতি আমির হামজা তাকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে আখ্যায়িত করেন, যা তার মানহানির কারণ হয়েছে।
এই অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আইনজীবী হুমায়ুন কবীর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণের পর আদালত একই দিন মুফতি আমির হামজাকে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
তবে নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে তিনি হাইকোর্টে গিয়ে আগাম জামিন লাভ করেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শামিম খান এই মামলা দায়ের করেন। রোববার ওই মামলার শুনানিও অনুষ্ঠিত হয় এবং আদালত একই সঙ্গে সেখানে স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন।