{{ news.section.title }}
মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন গোলসম্রাটের নাম এখন কিলিয়ান এমবাপ্পে। আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে এককভাবে উঠে গেছেন ফ্রান্সের এই ফরোয়ার্ড। চলমান বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ২২ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা।
শনিবার (১৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোপুরি আধিপত্য দেখায় ইংল্যান্ড। ডেক্লান রাইস, এজরি কনসা এবং বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে বিরতিতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল, ১৯৯৪ সালে সুইডেনের বিপক্ষে ৪-০ ব্যবধানের জয়ের স্মৃতিই যেন ফিরিয়ে আনছে ইংলিশরা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাইকেল অলিসের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সের প্রত্যাবর্তনের সূচনা করেন তিনি। এরপর ব্র্যাডলি বারকোলা গোল করে ব্যবধান আরও কমিয়ে আনেন। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে স্কোরলাইন ৪-৩-এ নিয়ে আসেন এমবাপ্পে। মাত্র ১২ মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল করে ইংল্যান্ডকে বড় চাপে ফেলে দেয় ফরাসিরা।
এই গোলের মাধ্যমেই বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা ২২-এ উন্নীত করেন এমবাপ্পে। এর ফলে তিনি লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ড পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন।
শুধু রেকর্ডই নয়, চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও শীর্ষস্থান দখল করেছেন ফরাসি এই তারকা। এ তালিকায় ৮ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
তবে এমবাপ্পের দুর্দান্ত নৈপুণ্যও শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে পরাজয় থেকে রক্ষা করতে পারেনি। গোলবন্যার এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। আর দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় চতুর্থ স্থান নিয়েই।
ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে থাকলেও দলগত সাফল্যের স্বাদ পাননি এমবাপ্পে। তবুও বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লিখিয়ে ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করলেন ফরাসি সুপারস্টার।