{{ news.section.title }}
দুপুরের মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
দেশের ৯ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে দমকা হাওয়া, ঝড়ো বাতাস ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে গত ২৮ এপ্রিল থেকে বজ্রমেঘের প্রবণতা অব্যাহত থাকায় আগামী ৯৬ ঘণ্টার জন্য দেশের বিভিন্ন বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বর্ষণ এবং ১৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে, অতিবৃষ্টির কারণে দেশের কিছু এলাকায় অস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে।
সিনপটিক অবস্থার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আজ সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু স্থানে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ৩ মে পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে তাপমাত্রা বাড়তে পারে। এদিকে, আজ সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৭৭ শতাংশ, যা বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিবেশ নির্দেশ করে। আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে।