আয়াতুল্লাহ খামেনির কফিনের পাশে ছোট কফিনটি কার?

আয়াতুল্লাহ খামেনির কফিনের পাশে ছোট কফিনটি কার?
ছবির ক্যাপশান, আয়াতুল্লাহ খামেনির কফিনের পাশে ছোট কফিনটি কার

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি বিদেশি প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রীয় অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে তেহরানে শুরু হয়েছে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান। রাজধানীর গ্র্যান্ড মুসল্লাহ প্রাঙ্গণে রাখা হয়েছে তার মরদেহ। তবে সেখানে থাকা একটি ছোট কফিন ঘিরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ খামেনির কফিনের পাশে মোট আরও চারটি কফিন রাখা হয়েছে। সব কফিনই ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংরক্ষণ করা হয়েছে।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হন বলে ইরানি সূত্র দাবি করেছে। এরপর দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি শেষে তেহরানে তাদের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের আয়োজন করা হয়েছে।

 

খামেনির পাশের কফিনগুলোতে রাখা হয়েছে তার মেয়ের জামাই মেসবাহ উল হুদা বাঘেরি, তার জ্যেষ্ঠ কন্যা সৈয়দা বুশরা হোসেইনি খামেনি, বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনির স্ত্রী জাহরা হাদ্দাদ আদেলের মরদেহ।

 

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সবচেয়ে ছোট কফিনটি। ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওই কফিনে রাখা হয়েছে ১৪ মাস বয়সী জাহরা মোহাম্মাদী গোলপায়গানির মরদেহ। তিনি খামেনি পরিবারের একজন কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন।

 

গ্র্যান্ড মুসল্লাহতে আয়োজিত শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বিদেশি প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও অতিথিরা একে একে কফিনগুলোর সামনে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

 

ইরানি গণমাধ্যমের প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাশাপাশি রাখা পাঁচটি কফিনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট কফিনটি সাধারণ মানুষেরও বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির মৃত্যু নিয়ে শোক প্রকাশ করছেন।

 

ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিভিন্ন ধর্মীয় ও পারিবারিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মরদেহগুলো দাফন করা হবে। একইসঙ্গে দেশজুড়ে চলবে দীর্ঘ শোক কর্মসূচি।

 


সম্পর্কিত নিউজ